কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭

26
2284

দয়া করে এটিকে এড়িয়ে যাবেন না। আমি দেখেছি অনেক ব্যাবহারকারি মনিটর সম্পর্কে খুব কম ধারনা রাখেন। অনেকেই উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার আছে কিন্তু তিনি তার মনিটরের ব্যাপারে উদাসীন। তখন অবস্থাটা দাড়ায় ” কম্পিউটারের ৯৯.৯৯% ভাল, খালি মাঝে মাঝে ওই মনিটরটা একটু কাজ করে না আর কি

আশা করি মহান আল্লাহ এর রহমতে সবাই ভাল আছেন। আমি সবসময় সাধারন ব্যাবহারকারিদের কথা মাথায় রাখি। কেননা তাদের অনেক কষ্টের জিনিস যদি একটু সচেতনতার অভাবে ভাল ফলাফল না দেয়! আপনি উচ্চমানের গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করেন কিন্তু আপনার মনিটরটি যদি তার সাথে মানানসই না হয় তাহলে আপনি সম্পূর্ণ পারফমেন্স পাবেন না যা আপনার পাবার কথা ছিল। তাই আজকে আমি চেষ্টা করবো মনিটরের গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে যাতে আপনি সম্যক একটি ধারনা পান এবং আপনার জন্য সঠিক মনিটর বেছে নিতে পারেন।

মনিটর সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকে
1. CRT { Cathode Ray Tube }
2. LCD { Liquid Crystal Display }

কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭

আগের দিনে CRT মনিটরের চল বেশি থাকলেও বর্তমানে LCD এর দাম সবার হাতের নাগালে এসে পরাতে আজকাল LCD এর চল বেশি। CRT মনিটরের এ মূলত ইলেকট্রন গান সংবলিত একটি ভ্যাকুয়াম টিউব থাকে। ইলেকট্রন গান থেকে ইলেকট্রন বিম পর্দার উপরে ফেলা হয়। এই আলোকরশ্মি পর্দার উপরের ফসফর দানাগুলো আলকিত করে তুলে এবং পর্দার উপর থেকে নিচের দিকে টানা অনেগুলো রেখা সন্নিবেশিত হয়ে পর্দার অপর পাশে ছবি ফুটে উঠে। আর LCD মনিটরের ক্ষেত্রে লিকুইড ক্রিস্টালের উপর আলো ফেলে তা দিয়ে পর্দায় ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। আলোর উৎস হিসাবে ফ্লুরসেনট লাইট বা LED [ Light Emitting Diode ] ব্যাবহার করা হয়। তবে LED ব্যাকলাইট শুধু LED মনিটরের ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা হয়। তাই এদের আসল নাম LED LCD মনিটর। ফ্লুরসেনট ব্যাকলাইট LCD মনিটরে ব্যাবহার করা হয়। এখন আমি মনিটরের এমন কিছু গোপন কথা আপনাদেরকে বলবো যা দ্বারা আপনি সঠিক মনিটর বেছে নিতে পারবেন।

কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭

.: স্ক্রিন সাইজ :.

মনিটর কিনতে গেলে প্রথমেই এই ব্যাপারটি আসে। মনিটরের আকার সাধারনত ১৫-২৮ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে। খুব সাধারন কাজ হলে ১৫ বা ১৭ ইঞ্চি যথেষ্ট। মুভি দেখার জন্য বা গ্রাফিক্স এর কাজের জন্য ১৯-২২ ইঞ্চি যথেষ্ট। আর হার্ডকোর গেমারদের জন্য ২২-২৮ ইঞ্চি লাগে। তবে সাধারন গেমাররা ১৯-২২ ইঞ্চি এর মনিটর নিতে পারেন।

কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭

.: Resulation :.

এতই মনিটরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। Resulation যত ভাল হবে, ছবি তত পরিস্কার ও স্বচ্ছ লাগবে। স্ক্রিন সাইজ যত বেশি হবে, Resulation তত বেশি হবে। সাধারণত ১৯ ইঞ্চি এর মনিটরগুলোতে Resulation ১০২৪*৭৮৬ হয়ে থাকে। উচ্চমানের মনিটরের ক্ষেত্রে তা ১১৪০*৯০০, ১৬৮০*১০৫০, ১৯২০*১২০০ হয়ে থাকে। ১৯২০*১২০০ Resulation সমৃদ্ধ মনিটরগুলোকে HD মনিটর বলা হয়ে থাকে। তবে গ্রাফিক্স কার্ড ব্যাবহার করে এই Resulation এর মানকে বৃদ্ধি করা যায়। ১৯ ইঞ্চি মনিটরের ক্ষেত্রে তা সর্বোচ্চ ১৩৮০*৭৮৬ হতে পারে। এটা গ্রাফিক্স কার্ডের উপর নির্ভর করে। আর আমাদের বাজারে বেশিরভাগ LCD মনিটরগুলি Wide স্ক্রিন এর হয়ে থাকে। এদের অ্যাসপেক্ট রেশিও হয় ১৬:৯ যা মূলত HD মুভি দেখার জন্য খুব ভাল।

.: ভিউয়িং অ্যাংগেল :.

আপনারা লক্ষ করবেন যে পাশ থেকে LCD মনিটরের দিকে তাকালে তা ঘোলা ঘোলা লাগে এবং রং বদলে যায়। এটা হয় ভিউয়িং অ্যাংগেল এর কারনে। কেননা ভিউয়িং অ্যাংগেল কম হলে পাশ থেকে দেখলে ছবির রং বদলে যাবে। আর ভিউয়িং অ্যাংগেল বেশি হলে আপনি যতই পাশ থেকে দেখবেন না কেন, ছবির রঙের কোন পরিবর্তন হবে না। পুরনো LCD মনিটরগুলির সবচে বড় সমস্যা ছিল এই ভিউয়িং অ্যাংগেল। কিন্তু বর্তমানে মনিটরগুলোতে তা অনেকখানি কমিয়ে আনা হয়েছে। এখনকার মনিটরগুলির ভিউয়িং অ্যাংগেল ১৬০-১৭৫.৫ ডিগ্রি হয়ে থাকে। তাই লক্ষ্য রাখবেন আপনার মনিটরের ভিউয়িং অ্যাংগেল যেন বেশি হয়।

.: রেসপন্স টাইম :.

মনিটরে দুটি ইমেজ প্রদর্শনের মাঝের সময়টিকে রেসপন্স টাইম বলে। সাধারন ব্যাবহারকারীদের কাছে এটি তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে না হলেও গেমার বা গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাছে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা রেসপন্স টাইম বেশি হলে মনিটর যখন নতুন ছবি প্রদর্শন করবে, তখন নতুন প্রদর্শিত ছবিতে পূর্বের ছবির একটা আবছা ছায়া/Ghosting Effect অথবা ঘোলাটে ভাব অথবা ব্লারিং দেখা যেতে পারে। গেমার/গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা এই ধরনের সমস্যায় বেশি পড়ে থাকেন। তাই মনিটর কেনার সময় বিবরণীতে ভালভাবে লক্ষ্য করে জেনে নিবেন মনিটরটির রেসপন্স টাইম সম্পর্কে। LCD মনিটরের ক্ষেত্রে রেসপন্স টাইম ১-১৬ মিলিসেকেন্ড পর্যন্ত হতে পারে। তবে আমাদের বাজারে ১-৮ মিলিসেকেন্ডের মনিটর বেশি পাওয়া যায় যার মাঝে প্রায় ৭৮ ভাগই ৫ মিলিসেকেন্ড রেসপন্স টাইম সমৃদ্ধ। আর মোটামুটি দামে ২ মিলিসেকেন্ড রেসপন্স টাইম এর মনিটর পেয়ে যাবেন।

কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭

.: ডট পিচ :.

মনিটরের দুটি পিক্সেলের মধ্যবর্তী দূরত্ব হচ্ছে ডট পিচ। একে মিলিমিটার এককে মাপা হয়। মনিটরে প্রায় হাজার হাজার ডট পিচ আছে। একটি ডট পিচ থেকে আরেকটির দূরত্ব যত কম হবে, মনিটর তত নিখুত এবং সূক্ষ্ম ইমেজ প্রদর্শন করতে পারবে। আমাদের বাজারের বেশিরভাগ মনিটরের ডট পিচ ০.২৬-০.৩০ মিলিমিটার। তবে যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনার, তারা ০.২২ মিলিমিটার ডট পিচের মনিটর কেনার চেষ্টা করবেন।

.: কন্ট্রাস্ট রেশিও :.

মনিটরের আরেকটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কন্ট্রাস্ট রেশিও। কন্ট্রাস্ট রেশিও হচ্ছে সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে গাড় রঙের লুমিনেন্সের অনুপাত। আমরা সবাই নিশ্চয়ই জানি ” সাদা ” হচ্ছে সবচেয়ে উজ্জ্বল ও ” কালো ” হচ্ছে সবচেয়ে গাড় রং। এক্ষেত্রেও একই ঘটনা। কন্ট্রাস্ট রেশিও যত বেশি হবে, মনিটর তত উজ্জ্বল ও পরিস্কার লাগবে। এবার আসি আপনি কি পরিমান কন্ট্রাস্ট রেশিও সমৃদ্ধ মনিটর নিবেন সেই ব্যাপারে। কন্ট্রাস্ট রেশিও দুই ধরনের হয়ে থাকে।

কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭

* ডাইনামিক

* টিপিকাল

ডাইনামিকের ক্ষেত্রে ৫০০০০:১ ও টিপিকালের ক্ষেত্রে ১০০০:১ হলেই তা আপনার জন্য যথেষ্ট। বাজারে বেশিরভাগ মনিটরেই কন্ট্রাস্ট রেশিও ৫০০০০:১-৫০০০০০০:১ এর মাঝে। আর টিপিকালের ক্ষেত্রে ১০০০:১-৮০০০:১ পর্যন্ত হয়। মনিটর উৎপাদনকারী কোম্পানিরা প্যাকেটের গায়ে কন্ট্রাস্ট রেশিও এর মান ডাইনামিকে দিয়ে থাকে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য। তাই মনিটর কেনার সময় লক্ষ্য করবেন এর কন্ট্রাস্ট রেশিওর মান টিপিকাল না ডাইনামিকে দেয়া আছে।

.: রিফ্রেশ রেট :.

ডিসপ্লে কে প্রতি সেকেন্ডে আলোকিত করার পরিমানকে রিফ্রেশ রেট বলে। মনিটরটি সেকেন্ডে একবার আলোকিত হলে তা ২৪ টি, দুইবার হলে ৪৮ ও তিনবার হলে রিফ্রেশ রেট হবে ৭২ হার্টজ। রিফ্রেশ রেট বেশি হলে তা চোখের উপর কম চাপ ফেলে। অনেকক্ষণ ধরে কাজ করলেও সমস্যা হয়না। কিন্তু এটি মনিটরের আয়ু কমিয়ে দেয়। এই কারনেই এখনকার LCD মনিটরগুলির আয়ু কম হয়। রিফ্রেশ রেট কে মনিটরের সেটিংস্‌ থেকে পরিবর্তন করা যায় তবে তাতে আপনার সাধের মনিটরটির ” চল্লিশা ” খাওয়ানোর জন্য আপনাকে প্রস্তুতি নিতে হবে। তাই ” চল্লিশার ” টাকা না থাকলে সিস্টেম থেকে যা দেয়া আছে তা পরিবর্তন না করাই ভাল।

.: ইনপুট ইন্টারফেস :.

মাদারবোর্ড থেকে যেই পোর্টের মাধ্যমে মনিটরকে ছবি প্রদর্শনের জন্য সংযুক্ত করা হয় তাকে ইনপুট ইন্টারফেস বলে। তিন ধরনের ইনপুট ইন্টারফেস মনিটরে পাওয়া যায়।

কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭

* VGA [ Video Graphics Acceleration ]
* DVI [ Digital Visual Interface ]
* HDMI [ High Definition Multimedia Interface ]

+ VGA +

প্রথমদিককার LCD মনিটরগুলির ইনপুট ইন্টারফেস ছিল VGA { Video Graphics Acceleration }. এটি খুব দুর্বল কেননা এটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রুপান্তর করে আবার তা ডিজিটালে রুপান্তর করে মনিটরে প্রদর্শন করতো। ফলে সিগন্যালের মান খারাপ হয়ে যেত। আপনি খুব হাই এন্ড গ্রাফিক্স কার্ড ব্যাবহার করেন কিন্তু আপনার মনিটরের ইনপুট ইন্টারফেস VGA। আমি বলবো ভাই লাভ নাই। আপনার গ্রাফিক্স কার্ড যত ভাল সিগন্যাল পাঠাক না কেন, VGA তাকে মিরপুর গুলিস্তান ঘুরিয়ে পাঠাবে। ফলাফল হবে আপনার গ্রাফিক্স কার্ড পাঠাবে HD কিন্তু আপনি পাবেন বা দেখবেন 3gp( উদাহারন হিসাবে বললাম ), তাইলে কিছু হইলো ???????????????????

 

+ DVI +

এটি VGA থেকে মোটামুটি যথেষ্ট ভাল ইন্টারফেস। DVI ইন্টারফেস সিগন্যালকে কোনোরকম রুপান্তর না করেই সরাসরি মনিটরে প্রদর্শন করতে পারে। ফলে পিকচার, কালারের মান মোটামুটি ঠিক থাকে। বাজারে DVI  পোর্টসমৃদ্ধ ১৯ ইঞ্চি মনিটরগুলোর দাম সাধারন মনিটরগুলির থেকে ৮০০-১০০০ টাকা বেশি। তাই একটু কষ্ট হলেও চেষ্টা করবেন DVI পোর্টসমৃদ্ধ মনিটর কেনার জন্য।

+ HDMI +

বর্তমানে এটি হচ্ছে সবচেয়ে ভাল ইনপুট ইন্টারফেস যা উচ্চক্ষমতার ভিডিও ও অডিও সিগন্যালকে একসাথে দ্রুত মনিটরে সরবরাহ করতে পারে। হাই-ডেফিনেশন ভিডিও বা গেম খেলার জন্য বা গ্রাফিক্স এডিটিং এর জন্য HDMI এর তুলনা শুধুই HDMI। সাধারন মনিটর থেকে এর দাম মোটামুটি বেশি। তবু যাদের বাজেট ভাল তারা HDMI পোর্টের মনিটর নেবার চেষ্টা করবেন। আর সফটওয়্যার কোম্পানি যেমন তাদের সফটওয়্যারের নতুন ভার্সন ছেড়ে থাকে, তেমনি এই পোর্টেরও নতুন ভার্সন বের হয় প্রতি বছর। তাই কেনার সময় খেয়াল করবেন আপনি এর সর্বশেষ ভার্সনসমৃদ্ধ মনিটর কিনছেন কিনা। বর্তমানে HDMI এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে v1.4 ।

এছাড়া HDCP { High Band-Width Digital Content Protection } নামে আরও একটি ইনপুট ইন্টারফেস রয়েছে যা আমাদের বাজারে সহজলভ্য নয়।

.: প্যানেল :.

আজকালকার LCD মনিটরগুলি অনেক ধরনের প্যানেল ব্যাবহার করে তৈরি করা হয়। তারমধ্যে তিনটি খুব জনপ্রিয় ও বহুল ব্যাবহৃত

* TN { Twisted Nematic }
* VA { Vertical Alignment }
* IPS { In Plane Switching }

+ TN +

আমাদের বাজারের ৯৫ ভাগ মনিটর এই প্যানেল দ্বারা তৈরি। এই প্যানেল দিয়ে তৈরি মনিটরগুলো উজ্জলতা ও রেসপন্স টাইম ভাল। এদের সবচেয়ে ভাল দিক হচ্ছে এরা দামে সস্তা। কিন্তু কন্ট্রাস্ট রেশিও, কালার, ভিউয়িং অ্যাংগেল এর দিক থেকে খুব দুর্বল। কিন্তু সস্তা বলেই আমাদের বাজারে এর চাহিদা বেশি। আসলে এই প্যানেলে মনিটর তৈরি করার ফলে দাম অনেক কম হয়। তাই আমাদের বাজারে বর্তমানে LCD মনিটরগুলি প্রায় সবার হাতের নাগালে।

+ VA +

এই মনিটরগুলিকে আপনি মাঝারি পর্যায়ে ফেলতে পারেন। এটা TN থেকে ভাল কিন্তু IPS { In Plane Switching } থেকে দুর্বল। খুব ভাল মানের কন্ট্রাস্ট রেশিওর কারনে এটি TN থেকে ভাল। আবার খুব বেশি রেসপন্স টাইম এর কারনে এই প্যানেলটি IPS { In Plane Switching } থেকে দুর্বল। এই মনিটরগুলোতে ইনপুট ল্যাগ ( সিগন্যাল দেবার পর তা পর্দায় প্রদর্শনের মধ্যবর্তী সময় ) ও কালার শিফট এর সমস্যা দেখা যায়। তবে আমাদের বাজারে এই পানেলের মনিটর পাওয়া যায় না বললেই চলে।

+ IPS +

এই প্যানেলের মনিটর হচ্ছে সবচেয়ে সূক্ষ্ম ও ভাল মনিটর। নিখুত, ঠিক যেমনটি আপনি চান। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, এর দাম অনেক অনেক বেশি। তবে সূক্ষ্ম ও নিখুত ছবি, উচ্চমানের কন্ট্রাস্ট রেশিও, বেশি পরিমান ভিউয়িং অ্যাংগেল,ও সেরা মানের কারনে এই প্যানেলের মনিটরকে বলা হয় “ মনিটরদের রাজা

আশা করি আপনারা এইবার বুঝতে পারছেন যে ভালমানের মনিটর কেনাটা কতটা জরুরী। আপনি কোন মনিটর কেনার পূর্বে কয়েকটি মডেল বাছাই করুন। তারপর ইন্টারনেট খুজে এদের সব ফিচার দেখে বেছে নিন আপনার পছন্দেরটি। আর মনিটরের ক্ষেত্রে যে কোন কোম্পানি নিতে পারেন, নিশ্চিন্তে। কারন সামান্য কিছু দিক ছাড়া বাকি সব হুবুহু এক। তবে আমাদের বাজারে যেটা সহজলভ্য, সেটা কিনলেই ভাল হবে। তাতে করে যদি কখনো Warranty এর সমস্যাতে পড়েন, তাহলে তা দ্রুত সমাধান করতে পারবেন। আর এখনকার বাজারে LED মনিটরগুলোর চল বেশি। এটি অনেকদিন টিকে, খুবই কম বিদ্যুৎ খরচ করে। তাই LED মনিটর কেনাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭

কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭কম্পিউটার সমাচার, ( মনিটর ) পর্ব-৭

26 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ