সাইবার অপরাধ ঠেকাতে আসছে নতুন আইন

0
289

সাইবার অপরাধ ঠেকাতে ও সামাজিক নিরাপত্তায় নতুন আইন প্রণয়ন করছে সরকার। যাতে ভবিষ্যতের স্মার্ট সাইবার অপরাধীদের মোকাবেলায় তৈরি থাকা যায়। দৈনিক ভোরের কাগজ ও চিফ টেকনলোজি অফিসার্স (সিটিও) ফোরামের যৌথ উদ্যোগে রোববার রাতে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৈঠকে ‘সাইবার সিকিউরিটি’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান। সঞ্চালনায় ছিলেন ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত।
image_38001_0 সাইবার অপরাধ ঠেকাতে আসছে নতুন আইন

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও হাত গুটিয়ে বসে থাকার সুযোগ নেই। তথ্য প্রযুক্তির যুগে সাইবার ক্রাইমকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। কারণ, আমরা গ্লোবাল ভিলেজে বসবাস করছি। এখানে সাইবার অপরাধ মোকাবেলার প্রস্তুতি না থাকা আর দরজা জানালা খুলে ঘরে বসবাস করা একই কথা।

সচিব এন আই খান বলেন, কেবল নিরাপত্তার কথা বললেই চলবে না। বিদেশ থেকে সফটওয়্যার কিনে আনলে কতটা ব্যয়সাশ্রয়ী তা দেখতে হবে। সেফ কোডিংয়ের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এটা করতে পারলে সাইবার নিরাপত্তা অনেকাংশে নিশ্চিত হবে।

মূল প্রবন্ধে সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকার বলেন, আমরা যেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করি তা অনেক সময়ই পাইরেটেড হওয়ায় সাইবার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। গুগল, ইয়াহু, পেন্টাগনের মতো সাইটও শক্তিশালী নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও হ্যাক হচ্ছে। অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারসহ শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার সাইবার অপরাধ ঠেকানো যেতে পারে।

ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইন থাকলেও তা যথাযথভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না। ফেইসবুক ব্যবহারের মাধ্যমে ধর্মীয় উস্কানি ছড়িয়ে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধমন্দির পোড়ানোর ঘটনায় প্রায় দু’বছর হতে চললেও এ ঘটনায় কোনো অপরাধী এখন পর্যন্ত সাজা পায়নি।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন, আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিব শ্যামা প্রসাদ বেপারী, সিটিও ফোরামের ভাইস-প্রেসিডেন্ট নওয়েদ ইকবাল, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট দেবদুলাল রায়, সিটিও ফোরামের কোষাধ্যক্ষ ড. ইজাজুল হক, এয়ারটেল বাংলাদেশের সিআইও লুৎফুর রহমান, সিসিএ বাংলাদেশের আইসিটি বিভাগের জি ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, বিডাব্লিউআইটির প্রেসিডেন্ট লুনা সামসুদ্দোহা প্রমুখ ।

একটি উত্তর ত্যাগ