ফ্রিল্যান্সিং এ সফলতার ৪০ টিপস (পর্ব ৪)

0
325

৩১. সঠিক সফটওয়্যারের ব্যবহার : যদিও বেশিরভাগ কাজই ফ্রিওয়্যার টুল দিয়েই হয়ে যায়, কিন্তু কিছু কিছু কাজ করতে আপনাকে হয়তো কিছু সফটওয়্যার বা টুল কিনতে হতে পারে। সেসময় দেখে শুনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন যাতে কাজটি সঠিকভাবে শেষ করতে পারেন।

৩২. সাপোর্ট গ্রুপ তৈরি করা : সাধারণত ফ্রিল্যান্সাররা একাই কাজ করেন কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাহায্যের দরকার পড়ে। সুতরাং বন্ধুত্ব করা কিংবা বজায় রাখা সেটা সম্পূর্নই আপনার উপর নির্ভর করছে।

৩৩. ক্লায়েন্টের মন্তব্য সংগ্রহ করা : পুরাতন কিংবা নতুন ক্লায়েন্টদের সমর্থন কিংবা টেষ্টিমোনিয়াল আপনার মার্কেটিংকে আরও শক্তিশালী করবে। তাই, আপনার সম্পর্কে ক্লায়েন্টের পজিটিভ মন্তব্যগুলোকে আপনার পোর্টফোলিওতে তুলে ধরতে পারেন।

৩৪. নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করা : বাড়তি আয়ের জন্যে নিজের কিছু প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারেন। যেমন টেমপ্লেট, ট্রেইনিং মডিউল, ওয়ার্ডপ্রেস থিম, ইবুক এগুলো তৈরি করেও বিক্রি করতে পারেন।

৩৫. ইতিবাচক হওয়া : মনে রাখতে হবে, একজন ফ্রিল্যান্সারের ভালো মনোভাব তার জন্যে অনেক বড় একটা সম্পদ।

৩৬. নিজের উপর বিশ্বাস রাখা : আপনি যদি বিশ্বাস করেন করণীয় কাজটির জন্যে সঠিক ব্যক্তিটি আপনি নন, ক্লায়েন্ট আপনাকে সেটার জন্য যোগ্য ভাববে সেটা কিভাবে আশা করেন?

৩৭. নতুন কিছু করা : এক্সপেরিমেন্ট করতে ভয় পাবেন না।

৩৮. অনলাইনে নিজের মতামত বিশ্লেষণ করা : আপনি অনলাইনে যা বলেন কিংবা আপনার সম্পর্কে যা বলা হয় সেটা কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ, সঠিকভাবে সেটি মেনে চলুন।

৩৯. ভবিষ্যতের জন্যে প্রস্তুত হোন, দুর্দিনের জন্য সঞ্চয় করুন।

৪০. উপরের বিষয়গুলো নিয়মিত দেখুন ঠিকভাবে চলছে কিনা।

একটি উত্তর ত্যাগ