ফ্রিল্যান্সিং এ সফলতার ৪০ টিপস (পর্ব ২)

0
338

১১. আলোচনা করা : ক্লায়েন্টের পক্ষ থেকে যেকোনো প্রস্তাব বা শর্ত আপনাকে মেনে নিতে হবে তেমন কোনো নিয়ম নেই বা করবেন না। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি একটি চুক্তির সব দিক নিয়ে আলোচনা কিংবা দরাদরি করতে পারেন ।
১২. নিজের সুযোগ তৈরি করা : ক্লায়েন্ট কি চায় সেটা সম্পর্কে আপনি পুরো অবগত থাকবেন। কাজ সম্পর্কে যতটা সম্ভব সুনির্দিষ্ট ধারণা নিয়ে নিতে হবে।

১৩. নিরপেক্ষভাবে কাজের দাম মূল্যায়ন করা : অনেকে কাজ পাননা তাই কম খরচে ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করতে চান। কখনোই এটা করবেন না, বরং মানসম্মত কাজ উপস্থাপন করে যথাযথ দাম নির্ধারণ করুন।

১৪. মানা করতে ভয় না পাওয়া : ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে প্রতিটি সুযোগই যে আপনার জন্যে যথাযথ হবে তেমনটি ভাবার কারণে নেই। যদি বুঝতে পারেন কাজটি আপনার জন্য না, তবে কাজটি প্রত্যাখ্যান করতে ভয় পাবেন না। হাতের কাজ ও সময় কতোটা আছে সেটা বিবেচনা করে হ্যাঁ বলুন। মনে রাখবেন, বিনীত হয়ে ‘না’ বলতে পারাও যোগ্যতার একটা অংশ।

১৫. কি কাজ করবেন সেটার লিখিত ব্যাখ্যা চান : কাজ শুরু করার আগে একটি লিখিত চুক্তি করে নিন অথবা কি কি কাজ করবেন সেটার একটা লিখিত নিয়ে নিন।

১৬. বিরক্ত হবেন না : কাজ শুরু করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার কাজের পরিবেশ আপনার কাজের সাথে যাতে সর্বোচ্চ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কারণ কাজের মাঝে মনযোগের বিক্ষেপ ঘটলে কাজটি শেষ করতে বেশি সময় লাগতে পারে কিংবা কাজের মান সম্পর্কে আপনি নিজেই সন্তুষ্ট হতে পারবেন না।

১৭. রুটিন অনুসরণ করা : অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সাররা এটা স্বীকার করেন, তারা যখন কাজের নির্দিষ্ট রুটিন অনুসরণ করে কাজ করেন তখন তাদের কাজের প্রোডাক্টিভিটি অনেকাংশেই বেড়ে যায়। তাই কাজ করার সময় রুটিন অনুসরণ করুন।

১৮. কাজ করার স্থানটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা : নোংরা পরিবেশ আপনার কাজের গতি এবং সাহস অনেকখানি কমিয়ে দেয় যা আপনি হয়তো কখনো বুঝতেও পারবেন না। আপনি যদি অগোছালো প্রকৃতির মানুষ হয়ে থাকুন তবে আজ একদিনের জন্য হলেও কাজের স্থানটি গুছিয়ে তারপর কাজ করুন। বিশ্বাস করুন, পার্থক্যটা আপনি নিজেই টের পাবেন।

১৯. সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা : ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে সফলতা লাভের অন্যতম শর্ত হলো সুস্থ থাকা। অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সাররা অসুস্থতার জন্য কাজ করতে পারেন না। আর এই অসুস্থতার অন্যতম বড় কারণ হলো ভুল খাদ্যাভ্যাস। তাই সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।

২০.ব্যায়াম করা : ব্যায়াম করলে নিজেকে অনেক বেশি ফুরফুরে লাগবে, মনযোগ বাড়বে, আর অনেক সুক্ষ কাজও অনেক দক্ষতার সাথে করতে পারবেন।

একটি উত্তর ত্যাগ