টাকা জাল বন্ধের প্রায় এক অব্যর্থ পদ্ধতি আবিস্কার!

0
341

টাকা জাল করা বা ভেজাল ওষুধ বিক্রি বন্ধের নতুন এবং প্রায় অব্যর্থ পদ্ধতি বের করেছেন গবেষকরা। এ পদ্ধতিতে ভেজাল ওষুধ বা জাল টাকা ততক্ষণাত শনাক্ত করা যাবে। এজন্য ওষুধ এবং টাকায় বসানো থাকবে ‘কুইক রেসপন্স’ বা ‘কিউআর’ কোড। বর্গাকৃতি সাদা-কালো এসব কোড যে কোনো স্মার্টফোন দিয়ে ‘পাঠ’ করা যাবে এবং ততক্ষণাত সংশ্লিষ্ট ওয়েব সাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনও করা যাবে। এভাবে টাকার গায়ে বসানো নম্বর ঠিক আছে কিনা বা ওষুধটি ভেজাল কিনা তা যাচাই হয়ে যাবে।

 

‘কিউআর’ কোড অবশ্য নতুন আবিষ্কার হয়নি। এটি ১৯৯৪ সালে প্রথমে ব্যবহার শুরু করে জাপানি মোটর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান টয়োটা। এতে অনেক তথ্য পুরে দেয়া সম্ভব হয় এবং দ্রুত পাঠ করা যায়। এ কারণে মোটর শিল্পের বাইরেও এ কোডের ব্যবহার দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

 

জালিয়াতি ঠেকানোর জন্য যে ‘কিউআর’ কোড ব্যবহার হবে তা ন্যানোপার্টিকেলস দিয়ে তৈরি হবে এবং ‘লেখা’ হবে নীল রঙের ফ্লোরোসেন্ট কালি দিয়ে। স্ক্যানারে না দেয়া পর্যন্ত তা দেখা যাবে না। ন্যানোটেকনোলজি নামের একটি ব্রিটিশ জার্নালে এ সংক্রান্ত নিবন্ধ লিখেছেন সাউথ ডাকোটা’র স্কুল অব মাইনস অ্যান্ড টেকনোলজির  ম্যাটেরিয়াল ইঞ্জিনিয়ার জোন কেলার।

 

টাকা নানাভাবে নাড়াচাড়া করে মানুষ। ফলে তাতে এ ধরনের কালি দিয়ে টাকার গায়ে লেখা ‘কিউআর’ কোডের কোনো ক্ষতি হবে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখেছেন এ গবেষক দল। এতে তারা সন্তোষজনক ফল পেয়েছেন। এ ধরণের নাড়াচাড়ার ফলে ওই কালিতে লেখা কোডের কোনো ক্ষতি হয়নি।

 

এ পদ্ধতি চালু হলেই যে টাকা জাল হওয়া বন্ধ হবে তা মনে করেন না বিজ্ঞানীরা। তারা বলেন, দেশে দেশে যারা টাকা জালের কাজ করে তারা অত্যন্ত সেয়ানা এবং অতিমাত্রায় ধূর্ত হয়। তবে নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হলে টাকা জালের কাজটা আরো কষ্টসাধ্য হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ