চলুন জেনে নিই মোবাইল ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর ২০টি জটিল টিপ্স

1
278
চলুন জেনে নিই মোবাইল ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর ২০টি জটিল টিপ্স

ব্লগার ভাই

সুপ্রিয় পাঠক, আমি "ব্লগার ভাই "। আমি কয়েক বছর ধরে টিউনারপেজ এ টিউন করি। আমার নিজস্ব ব্লগে আরো টিপস পাবেন।www.ideabuzz.net
চলুন জেনে নিই মোবাইল ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর ২০টি জটিল টিপ্স

nokia-6300-yahoo চলুন জেনে নিই মোবাইল ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর ২০টি জটিল টিপ্সnokia-6300-yahoo চলুন জেনে নিই মোবাইল ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর ২০টি জটিল টিপ্সকেমন আছেন সবাই? যা-ই হোক, আজ খুব কমন একটি বিষয় আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য বসলাম। আসুন জেনে নিই কীভাবে আমরা আমাদের মো্বাইল ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে পারি। এখানে ২০টি টিপ্স দেওয়া হলো।

১) নতুন মোবাইল কিনে কম পক্ষে ৮-১০ ঘন্টা চার্জ দিন।

২) খুব বেশী দরকার না হলে ভাইব্রেশন ব্যবহার করবেন না। ভাইব্রেশনের কারণে দ্রুত চার্জ ফুরায়।

৩) ব্যাটারীর সম্পূর্ণ চার্জ শেষ হয়ে গেলে চার্জ দিন।

৪) ফুল চার্জ না হওয়া পর্যন্ত মোবাইল চার্জ দিন।

৫) মোবাইলের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন।

৬) অতিরিক্ত চার্জ ব্যাটারীরর জন্য ক্ষতিকর।

৭) সব সময় সেটের অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করুন।

৮) খুব বেশী দরকার না হলে ফোন রির্স্টাট করবেন না।

৯) অকারণে ব্লু-টুথ অন করে রাখবেন না।

১০) নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বারবার সার্চ করলেও বেশি ব্যাটারি ক্ষয়। সুতরাং এটি থেকে বিরত থাকুন।

১১) ঠাণ্ডা স্থানে মোবাইল ফোন রাখুন। অর্থাৎ স্বাভাবিক তাপমাত্রায়। বেশি গরম স্থানে মোবাইল ফোন রাখবে না। আমি একটা আইপিএস-এর ওপর ব্যাটারি রেখেছিলাম। পরে আমার ফোনের ১৩টা বাজছে।

১২) চার্জ থেকে খুলার জন্য আগে সকেট থেকে চার্জার খুলবেন তারপর মোবাইলের কেব্‌ল খুলবেন ।

১৩) চার্জের সময় মোবাইল অফ রাখা ভাল ( বিশেষ করে নতুন মোবাইলের জন্য ) ।

১৪) ব্যাটারির আয়ু ১৫-৩০% থাকলে চার্জ দিবেন এর আগেও না পরেও না ।

১৫) লম্বা সময় ধরে চার্জার লাগিয়ে রাখবেন না । আমারা অনেকেই রাতে ঘুমানোর সময় চার্জে দিয়ে ঘুমাই, এতে করে ফুল চার্জ হওয়ার পরও অনেক্ষন চার্জার কানেক্ট থাকে । এ অভ্যাস ত্যাগ করুন, না হলে ব্যাটারীর ক্ষতি হবে ।

১৬) WiFi, Location Services, Bluetooth, কানেকশন মোবাইল নেট কানেকশন থেকে বেশী ব্যাটারি ব্যবহার হয় যদিও WiFi, Location Services, Bluetooth, কানেকশন অনেক যায়গায় সহজে ও বিনা পয়সায় ব্যবহার করা যায়। তাই নেহাত প্রয়োজন না হলে WiFi, Location Services, Bluetooth, কানেকশন বন্ধ করে রাখুন তাতে আপনার ব্যটারির লাইভ সেইভ হবে।

১৭) Wall paper যদি animated বা motion ওরিয়েন্টেড হয় তাহলে তা ডিজেবল করে রাখুন।

১৮) বিভিন্ন ব্যাটারি সাপোর্টেড ইউটিলিটি সফটওয়্যার ফ্রি পাওয়া যায় তা ব্যবহার করতে পারেন।

১৯) ডেইলি মেইলে প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানা যায়, বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মার্টফোনের ব্যাটারি ১০০% পর্যন্ত চার্জ করা ঠিক নয়! বরং এর চার্জ সব সময় ৪০-৫০% এর উপরে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ, আপনার ফোনের ব্যাটারির চার্জ সবসময় ৪০-৮০ শতাংশের মধ্যে রাখলে সেটাই তার পারফর্মেন্সের জন্য সর্বোত্তম হবে। এমনকি ওয়্যারলেস চার্জিং এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেয়া আছে এতে।

২০) আর সবার শেষে বলতে চাই, কথা কম বলুন। এতে টাকাও বাঁচবে। ব্যাটারির আয়ুও বাড়বে।

অনেক কষ্ট করে নেট ঘেঁটে এসব আপনাদের জন্য বের করলাম। ভুল হলে মাফ করবেন। ভালো লাগলে আমার এই সাইটটিতে একটু ঢুঁ মারার অনুরোধ রইলো।
প্রথম প্রকাশ: www.ideabuzz.net

1 মন্তব্য

  1. এর চাইতে জঘন্য পস্ট র হতে পারে না একটা শিশুও জানে এসব ! আর মোবাইল এর চার্জ বেশি রাখার জন্য কম কথা বলতে হবে? ভাই সবাইরে কি মদন পাইছেন ? এইটা একটা পোস্ট ?

একটি উত্তর ত্যাগ