সবাই যখন অনলাইনে ফ্রি মুভি দেখছে তবে কেন ডাউনলোড?

0
547

ইন্টারনেটের যুগে অনলাইনে মুভি দেখার প্রচলন বেড়ে গেছে। বিশেষ করে উন্নত বিশ্বে যেখানে ব্যান্ডউইডথ অনেক বেশি। তবু অনেকেই এখনো মান্ধাতা আমলের পদ্ধতি অনুসরণ করে Watching-movie-online-2 সবাই যখন অনলাইনে ফ্রি মুভি দেখছে তবে কেন ডাউনলোড?মিডিয়া ফায়ার বা বিভিন্ন টরেন্ট সাইট থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় লাগিয়ে মুভি ডাউনলোড করছেন। এটা মানা যায় যে ব্যান্ডউইডথ কম হলে অনলাইনে মুভি দেখলেও লোড হতে সময় লাগে। কিন্তু মুভি ডাউনলোড করার পর অনেক সময় দেখা যায় যে কোয়ালিটি ভালো না, ফাইলে ভাইরাস আছে বা এটি সম্পূর্ণ অন্য একটি মুভির ফাইল। তখন এত সময় নষ্ট করে এই ফাইলটি ডাউনলোড করার কথা মনে করে বেশ হতাশ হতে হয়। অনলাইনে মুভি দেখার সুবিধা হলো যে এটি কোনো ঝামেলা ছাড়াই সাথে সাথে প্লে করতে পারছেন এবং দেখে নিতে পারছেন কোয়ালিটি কেমন। এতে অনেক সময় বেচে গেল এবং আগে থেকে প্লান করে ডাউনলোড করার ঝামেলা নেই। অনেকেই মুভি কোয়ালিটি বা ওয়েবসাইট কোয়ালিটির কারণে অনলাইনে মুভি দেখেন না। বিশেষ করে বাংলা মুভি দেখার ক্ষেত্রে ভালো সাইট পাওয়া দুষ্কর। আমি কিন্তু খুঁজে খুঁজে ঠিকই একটা ভালো সাইট বের করে ফেললাম  যা আপনাদের সাথে এই টিউনে শেয়ার করব। সাইটের নাম banglamoviebd.com যেখানে মুভিগুলো ক্যাটাগরি অনুযায়ী সুন্দরভাবে সাজানো এবং যেখানে শুধু হাই কোয়ালিটির মুভিই দেখতে পাবেন। বিশেষ করে যেসব বাংলাদেশী বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাস করছেন তাদের জন্য এসব মুভি দেশের স্মৃতি এবং বিনোদনের মাধ্যম। এবং সেসব দেশে বাজার থেকে কিনে বাংলা মুভি দেখা সম্ভব নয় তাই ইন্টারনেটই সম্বল। তাই অনলাইনে মুভি দেখার গুরুত্ব উপেক্ষা করার উপায় নেই।

কথা এসে যায়, এই যে ফ্রিতে মুভি দেখা এটি কি আইনসম্মত? যদি ওয়েবসাইটি মুভি অন্য কোনো উত্স থেকে এম্বেড করে থাকে তবে তা কনটেন্ট শেয়ারিং বলে গণ্য হবে। কনটেন্ট শেয়ারিং সম্পূর্ণ বৈধ। কিন্তু ওয়েবসাইটটি যদি নিজেই প্রোডিউসারের অনুমতি বা স্বত্ব ছাড়া ফিল্ম আপলোড করে তবে তা অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। যেই ওয়েবসাইটির কথা বললাম তা অন্যান্য ওয়েবসাইটে আপলোড করা মুভি এম্বেড করে শেয়ার করছে। বেশিরভাগ ফ্রি মুভি দেখার ওয়েবসাইটি এটা করে থাকে। তাই নির্দিধায় ইন্টারনেটে ফিল্ম দেখা শুরু করে দিন।

একটি উত্তর ত্যাগ