মানুষের মস্তিষ্ক মূলত একটি কম্পিউটার-স্টিফেন হকিং এর সাক্ষাতকার:2

5
444

প্রশ্ন-আলবার্ট আইনস্টাইনের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেলে তাকে কি জিজ্ঞেস করতেন?

Advertisement

হকিং=আমি তাকে জিজ্ঞেস করতাম কেন তিনি কৃষ্ঞবিবর(ব্লাক হোল)ধারনাটি মেনে নেননি…তার আপেক্ষিক তত্ত্বের ফিল্ড ইক্যুয়েশান এই ধারনা দেয় যে একটি বৃহত্‍ নক্ষত্র অথবা গ্যাসীয় মেঘ নিজের ভেতরে ভেঙে পড়ে কৃষ্ঞবিবরের আকার ধারন করে…আইনস্টাইন এ সম্পর্কে সজাগ ছিলেন কিন্তু কোনভাবেই তিনি নিজেকে প্রবোধ দিয়েছিলেন যে এসব বৃহত্‍ নক্ষত্রের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা এ জাতীয় নক্ষত্রকে সব ক্ষেত্রেই একটি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সব ভর ঝেড়ে ফেলে…এর ফলে নক্ষত্রটি আর কৃষ্ঞবিবরে পরিনত হওয়ার সুযোগ পায় না…আইনস্টাইন ভাবেননি,যদি সেই নক্ষত্রের কোন বিস্ফোরণ না ঘটত তবে কী হতো?

-আপনার জীবদ্দশায় আপনি কী ধরনের বৈজ্ঞানিক আবিস্কার দেখে যেতে চান?

=আমি চাই,পারমাণবিক বিক্রিয়া(নিউক্লিয়ার ফিউশন)হয়ে উঠুক মানুষের ব্যবহারিক বিদ্যুতশক্তির উত্‍স…কোনপ্রকার দূষণ বা বিশ্বের উষ্ঞায়ন না ঘটিয়েই নিউক্লিয়ার ফিউশনের মাধ্যমে আমরা অফুরন্ত শক্তি পেতে পারি

-মৃত্যুর পর আমাদের কি হয় বলে আপনি বিশ্বাস করেন?

=আমি মনেকরি,মানুষের মস্তিষ্ক মূলত একটি কম্পিউটারের মতো…একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামের যা পরিণতি ঘটে,আমাদের মস্তিষ্কের পরিনতিও সেরকম…কম্পিউটার বন্ধ করে দিলে এর প্রোগ্রামটি যেমন নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়,মৃত্যুর পর আমাদের মস্তিষ্ককে এই অবস্থার সাথে তুলনা করা যায়…তত্ত্বীয়ভাবে মানুষের এই মস্তিষ্ক একটি নিরপেক্ষ নেটওয়ার্কে আবার সৃষ্টি করা সম্ভব,তবে কাজটি খুবই জটিল…এর জন্য দরকার একটি মস্তিষ্কের সবটুকু স্মৃতি

5 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ