অবশেষে বাংলাতে বেদ, ডাউনলোড করুন

শুধমাত্র সনাতন ধর্ম অনুসারী ই নয়, অন্য ধর্মের অনেক অনেক অনুসারী ও বেদ সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বেদ সনাতন ধর্মের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ, বেদ চার প্রকার তার মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন হচ্ছে ঋগবেদ। এতে প্রায় ১০,০০০ এর ও বেশী মন্ত্র আছে। বেদের অন্য অংশগুলো হতে এটা অনন্য। যদিও বেদ সনাতন ধর্ম মতালম্বীদের প্রধান ধর্মীয়গ্রন্থ কিন্তু খুজতে গেলে ১% হিন্দু বাড়িতে ও বেদ পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে, অথবা অধিকাংশ মানুষই বেদ পড়েন নি। এটা শুধু ই অজ্ঞানতা না এর একটি কারণ হচ্ছে বেদ পড়ার কিছু আলাদা বাধ্য বাধকতা আছে এবং বাড়িতে বেদ রাখতে হলে বিশেষ কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয় তাই অনেকেই বেদ রাখার সাহস করেন না, সর্বোপরি গীতা কেই এখন প্রাধান্য দেওয়া হয় বেশী। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে পাপ হবে হোক কিন্তু আমার জ্ঞান দরকার, আর তার জন্যই আমাকে বেদ পড়তে হবে ও জানতে হবে।

বেদ মূলত সংস্কৃত ভাষায় তবে নেটে সার্চ দিলে ইংরেজীতে খুব সহজেই পাওয়া যাবে। কিন্তু বাংলাতে বেদ???? প্রায় অসম্ভব একটা চাওয়া। কারণ বাংলাকে অনেকেই তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনেই করেনা। আর সনাতন ধর্ম অনুসারীদের একটি বৃহৎ অংশ পশ্চিম বাংলার অধিবাসী হলেও আমরা বাংলাদেশীরা বাংলাকে নিয়ে যতটা ভাবি। তারা তার সামনে দিয়ে তো দূরের কথা পিছন দিয়ে ও যায়না। তাই বাংলাতে সনাতন ধর্মীয় বই পাওয়া বেশ কষ্টকর । অনেকেই বলবেন এত কষ্ট না করে কিনে নিলেই তো হয়। হুম কিনলে তো হয়ই কিন্তু নেট থাকতে কিনবো এটা ভাবতেই কষ্ট লাগে। মাঝে মাঝে মনে হয় ক্ষুধা লাগলে নেটে সার্চ দেই দেখি পেট ভরানো যায় কিনা। হা হা

যাই হোক অনেকদিন ধরে খুজছিলাম পাইনা, এমনকি অনেকের কাছে চেয়েছি কিন্তু কেউই বলতে পারেনি বাংলাতে বেদ এর লিংক। অবশেষে পেলাম এক গুপ্ত ভান্ডার যেখানে শুধুমাত্র বেদ ই না সনাতন ধর্মের অনেক মূল্যবান বই সংরক্ষিত আছে যেমন কলিকাতন্ত্রম, রাজযোগ, সৌরপুরান, উপনিষদ, মহানির্বান তন্ত্র ইত্যাদি অনে দুর্লভ বই। এই সকল বই এর অধিকাংশ বাংলাদেশে পাওয়া যাবেনা এটা প্রায় নিশ্চিত এমনকি ভারতে গিয়েও খুজে বের করা বেশ কষ্ট সাধ্য হবে। আর বইগুলো অনেকদিন আগের সংস্করন এটা বই এর হরফগুলো দেখলেই বুঝা যায়।

যাই হোক একবারে এত দেওয়া যাবেনা তাই প্রথমে শেয়ার করছি ঋগবেদ। এটি কয়েকটা অংশে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে, এতখানি আর কষ্ট করলাম না। যারা যারা ডাউনলোড করতে ইচ্ছুক তারা (হিন্দুধর্ম নিয়ে আমাদের সাইট হিন্দুইজম সাইট ) এ গিয়ে এই পোষ্ট থেকে ইচ্ছামত ডাউনলোড করতে পারেন। আর হ্যা মিডিয়াফায়ার লিংক। তাই নিশ্চিন্তে ডাউনলোড করুন বাংলাতে বেদ। আর হ্যা বিশেষ কিছু কথা যা এই বইটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তা বলে নেই, এই বইটি অনেক আগের একটি বই থেকে স্ক্যান করা। প্রকাশ কাল বাংলা ১লা বৈশাখ, ১২৯৩ আর এখন চলছে ১৪১৭ তাহলে হিসাব করুন কত্ত আগের বই !!! আর মোট ওজন 40MB এর মত হবে।

পরের পর্বে আরো কিছু ভালো ভালো বই শেয়ার করবো আশা করি। ধন্যবাদ সবাইকে। ভালো থাকবেন সবাই।

**** বিশেষ কিছু কথা না বললেই নয়, যেহেতু টিউনারপেজ একটি টেকনোলজিকাল সাইট, তবু এখানে টেকনোলজীর বাইরের সৃষ্টিশীল বিষয়কে সম্মান দেওয়া হয় তাই এখানে এই ধর্মীয় বিষয় শেয়ার করছি, আমার মতে সবাই নিজের ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মীয় পুস্তক পাঠ করা উচিত, এতে নিজের ধর্মের অনেক বিষয়ের সত্যতা পরিষ্কার হয়ে যাবে। এবং কোথায় পার্থক্য তা সহজেই ধরা যাবে। তাই পোষ্টের উদ্দেশ্যকে সঙ্কীর্ণ মনে দেখবেন না। ধন্যবাদ সবাইকে

পিসির সমস্যা হাজারো, সমাধান একটি টিউনারপেজ হেল্প লাইন
৯,০০০ অনলাইন গেমস নিয়ে মেতে উঠুন টিউনারপেজ গেমস জোন

About The Author

নিজেকে চেনার চেষ্টায় আছি, চিনতে পারিনা। যাকে চিনিনা তার সম্পর্কে মন্তব্য করাটা বোকামী ছাড়া আর কিছুনা।

Related posts

31 Comments

    1. পদ্মফুল

      ভাই ধন্যবাদ, টিপি তে প্রথম টিউন এ আপনি প্রথম মন্তব্য করলেন, অনেক ভালো লাগলো, এমন অনেক দুর্লভ বই আছে (দুর্লভ শব্দটি এজন্যই বলছি কেননা যে বইটি দিয়েছি এই বইটি আপনি টাকা দিয়ে হলেও পাবেন না এখন, কেননা এটা অনেক অনেক আগের বই) সামনে আরো কিছু শেয়ার করবো। ধন্যবাদ আপনাকেও

    1. পদ্মফুল

      লেখা ভালো হয়েছে শুনে বেশী করে লিখতে ইচ্ছা করছে আরো। আর হ্যা নতুন ভালো বই পাইলে শুধু সংগ্রহ করতে ইচ্ছা হয়, তবে কিনি না। কারণ “বই কিনে কেউ কখনও দেওলিয়া হয়নি কিন্তু ফকির অবশ্যই হইছে” তবে ডাউনলোড করি ভালো ভালো বই । ধন্যবাদ

  1. প্লাবন

    ভাই, আপনার বিশেষ কথাগুলোর উপর যথেষ্ট শ্রদ্ধা রয়েছে সবার। আপনি নিশ্চিন্তে এখানে ধর্ম সংক্রান্ত টিউন করতে পারবেন। কেউ কিছু বললে শুধু জানাবেন, তার দুনিয়া উল্টে-পাল্টে দিব।

    1. পদ্মফুল

      হা হা হা , দুনিয়া উল্টে ফেলবেন !!!! আপনি তো ভাই ভয়ংকর মানুষ, থাক দুনিয়া উল্টে ফেলতে হবেনা।
      আর আমি মনে করি যেহেতু আমরা যারা নেট ইয়ুজ করি তারা সবাই শিক্ষিত তাই আমাদের শিক্ষার সম্মান টুকু রেখে কথাবার্তা বলা উচিত। একটা বিষয়ের পজিটিভ দিকটা দেখা উচিত। আমার ধর্ম না মানেই খারাপ তা বলা একটা মূর্খের থেকেও খারাপ। আমি অন্তত চেষ্টা করি অন্য ধর্মগুলোর পবিত্র গ্রন্থগুলো পড়ে দেখার। সত্যি বলতে অনেক ভালো ই লাগে। আর হ্যা নিজের ধর্মের কুসংস্কার গুলোকে দুর করার জন্যই একটি নির্দিষ্ট ধর্ম নিয়ে সাইট খুলেছি। মাঝে মাঝে সাইটে আসবেন, ভালো বা খারাপ কিছু করলে মন্তব্য করবেন। আর হ্যা মন্তব্য ফ্রিতে করা যায়।

    1. পদ্মফুল

      ধন্যবাদ ভাই, তাহলে নেক্সট টিওনে দেব বাংলা সাহিত্যের আদিমতম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তণ, বইটি যিনি পেয়েছিলেন দক্ষিনারঞ্জন উনি প্রথমে যে বইটি লিখেছিলেন সেই বই এর পিডিএফ ভার্ষন দেব। যা বর্তমানে অকল্পনীয়।

    1. পদ্মফুল

      হুম আমিও বুঝতে পারছিলাম ব্যাপারটা, তবে ভাই আমার নেট স্পীড এতই জঘন্য যে 4KBPS এর উপরে সাধারনত উঠেনা। তাই নিজে সব ডাউনলোড বা আপলোড করতে পারিনা। অন্যদের রিকুয়েষ্ট করে করাতে হয় অনেক সময়। তাই যেভাবে দিয়েছে সেভাবেই শেয়ার করলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

  2. অনির্বাচিত টিউনার

    আসলে টেকনোলজি ব্লগগুলোতে ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে লেখা নিষেধ। কারণ এগুলো বেশির ভাগই বির্তক সৃষ্টি করে। তাই আপনি ধর্মের উপর বই বা ধর্মীয় সংগীত শেয়ার করতে পরবেন। আমি বলছি না যে আপনি অন্য আর কিছু নিয়ে লিখতে পারবে না। পারবেন, সমস্যা হল বির্তক। এই রকম পোষ্ট করলে কোন সমস্যা হবে না। ধন্যবাদ…..
    মনে কিছু নিবেন না, সমস্যা হলে বলবেন।

      1. পদ্মফুল

        প্লাবন ভাই, হয়তোবা খুব ভালভাবে লিখতে পারিনা, তবু যে কয়েকটা সাইটে লিখি, কখনও কমেন্ট মডারেশন করিনি আর এখানেও এটা করে লিখবোনা। দরকারে এমন পোষ্ট ই করবোনা। কিন্তু কমেন্ট মডারেশন টাকে অসহ্য লাগে। আর যেখানে আপনারা আছেন সেখানে যে দোষ করবে বা খারাপ কিছু লিখবে তাকে তো ঘায়েল করতে আপনারাই যথেষ্ট। আমি অযথা কমেন্ট ক্লোস্‌ড করবো কেন??

    1. পদ্মফুল

      আমি নিজেও জানি যে টেকনোলজী সাইটে ধর্ম বা রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করা ঠিক না। বিতর্ক তে সমস্যা নাই কিন্তু এতে সাইটের ক্ষতি হয়, আর আমি চাইনা আমার পোষ্টের কারণে টিউনারপেজের কোন ক্ষতি হোক। তবে একজন টিউনার বাইবেল দিল আর পিপি ভাই বেদ চাইল তাই শেয়ার করলাম শুধু। তাছাড়া প্রায় ই দেখি ইসলাম ধর্মের অনেক ভালো ভালো বই অনেকেই শেয়ার করেন তাই সাহস করে পোষ্ট করেছিলাম আর কি। তবে হ্যা কোন ক্যাচাল জাতীয় কিছু হলে এ ধরনের পোষ্ট করব না। আর আমি এখানে লেখার সময় অত্যন্ত সতর্কতার সাথে শব্দগুলো ব্যাবহার করেছি যেন কারো ধর্মানুভুতিতে আঘাত না লাগে, শুধুমাত্র জ্ঞানের জন্য এমন কিছু বই শেয়ার করা আর কি। তবে আপনাদের মতামতের উপর নির্ভর করবো যদি নেতিবাচক হয় তবে দর্শক হিসেবেই থাকবো। কারণ টিপি থেকে অনেক কিছু শিখেছি আরো শিখতে চাই। যখন টিপি তে রেজি করি তখন সদস্য সংখ্যা হাতে গুনা মাত্র ১০০ ও হয়নি। পিপি ভাই যখন বললেন টিপি তে যাচ্ছেন তখন থেকে আছি এখানে। এর পরিবেশ টা অন্য টেকনোলজী সাইট থেকে অনেক অনেক ভালো। তাই আছি। আর আমি কারা উপর রাগ করিনা। তাই ব্যাপারনা।

  3. রাকিব!

    আপনাকে ধন্যবাদ। আমি বিভিন্ন ধর্মের উপর একজন ছাত্র। ২ দিন আগে বাংলা বাইবেল পেলাম, আজ বেদ। খুবই ভাল লাগল।
    আপনার সাথে আমি একমত যে হিন্দুরা আজকে বেদ পড়েনা। তা যদি বেদ পড়ত তবে কোন মূ্তি পূজা করত না। আর যখন মূ্তি পূজা বন্ধ করত তখন এক ইশ্বরের ইবাদত করত। কারন……

    ১. ছান্দগ্য উপনিষাদঃ অধ্যায়- ৬, পরিচ্ছেদ – ২ ও ১- এ রয়েছে, “স্রষ্টা মাত্র একজনি। দ্বিতীয় কেউ নেই”

    ২ শ্বেতাপত্র উপ্নিষদঃ অধ্যায়- ৬, পরিচ্ছেদ – ৯- এ রয়েছে, ‘তার (ঈশ্বরের) কোন বাবা মা নেই, তার কোন প্রভু নেই, সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কোন বাবা নেই, তার কোন মা নেই তার ছেয়ে বড় আর কেউ নাই’

    ৩ শ্বেতাসত্র উপনিষদঃ অধ্যায়- ৬, পরিচ্ছেদ – ১৯- এ রয়েছে, ” সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কোন প্রতিমা নেই, কোন প্রতিমূর্তি নাই, কোন প্রতিকৃতি নেই, কোন রূপক নেই, কোন ফটোগ্রাফ নেই, তার কোন ভাস্কর্য নেই”

    এছাড়া ঋকবেদঃ গ্রন্থ-৮, পরিচ্ছেদ-১ অনুচ্ছেদ-১ এ বলা হয়েছে ‘শুধু তারই উপসনা কর। এক ঈশ্বরের এবং তাকেই বন্দনা কর।

    1. পদ্মফুল

      রাকিব ভাই, আসলে এখানে এই সকল বিষয়ে আলোচনা করতে চাচ্ছিলাম না, কারণ আলোচনাতে সমালোচনা হবে আবার সমালোচনা থেকে তর্ক হবে আবার তর্ক থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হবে এতে এই সাইটে এমন বিষয় নিয়ে লেখা আসতে আসতে একসময় ধর্মীয় সাইট হয়ে যাবে, যাই হোক আমিও আপনার মত ই ছাত্র, তবে অন্য ধর্ম নিয়ে বললে হয়তোবা অনাধিকার চর্চা হয়ে যাবে, তাই আমার ধর্ম নিয়ে যদি কোন কিছু জানার বা জানানোর থাকে নির্দ্বিধায় আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, pongkoj32@gmail.com (Gtalk) এ অথবা আমার সাইট http://www.hinduismsite.ucoz.com এ এখানে যে কোন পোষ্টে মন্তব্য করলেই আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। মন্তব্যের জন্য সা্‌ইটে রেজি: না করলেও চলবে। তবে আপনি যে প্রশ্ন গুলো এখানে করলেন তার উত্তর না দিলে অনেকের মাঝৈই এই কথাগুলো থেকে যাবে। তাই অনিচ্ছাসত্বেও এই প্রশ্ন বা রেফারেন্স এর ব্যাপারটা ক্লিয়ার করার চেষ্টা করছি। তবে এই আলোচনা এখানেই শেষ। অধিক চাইলে যে কেউ নক করতে পারেন। কিন্তু এখানে না
      আজকে এই বিষয় নিয়েই অন্য একটা সাইটে একজনের সাথে কথা হচ্ছিল তাই সেখানের কমেন্ট টাই তুলে ধরছি
      আর একটা কথা বলি যেহেতু আপনি এই বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন তাই আপনাকে বললে অবশ্যই বুঝতে পারবেন। এটা অন্যদের তো দূরের কথা অনেক হিন্দু কেও বুঝাতে পারিনা।
      আমরা হিন্দুরা বিভিন্ন মূর্তির, গাছের, প্রাণীর, সাপের, সূর্যের পুজা করি, এটা অন্য ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক তাই তো বলছেন। কিন্তু দেখেন সেই আরবের অন্ধকার যুগে তারা যেই মূর্তির পুজা করতো এটা তেমন ভাবে গুলিয়ে ফেলবেন না। কারন হিন্দুরা মূর্তিকে কখনও পুজা করেনা। কখনও না। তারা মুর্তির মাঝে ভগবানকে কল্পনা করে মন্ত্র পরে তাকে অনুরোধ করা হয় তুমি সর্বত্র আছো, তুমি যে কোন রুপ ধারন করতে পারো, যে কোথাও যেতে পারো আমি আমার সামনের মুর্তিতে তোমাকে আসার জন্য অনুরোধ করছি, তুমি ভক্তের কথা রাখ তাই আমার কথাটুকু ও রাখবে ।
      এটা গেল আবাহন এতে ভগবানকে মুর্তিতে আনা হল তারপর মুর্তর প্রাণচৈতন্য করা হলো এবঙ পূজা দেওয়া হলো। এরপরে পুজার শেষে আবার বলা হয় আমার কথায় এখানে আসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ, আমি তোমার পুজা দিয়েছি আমার ভুল হলে আমি ক্ষমা চাই এখন তুমি তোমার যেখানে ইচ্ছা যেতে পার।

      তাহলে দেখেন কোথায় একটি মূর্তির পুজা করলাম??? করা হলো তো ঈশ্বরের পূজা। একটা মুর্তির মাঝে কল্পনা করে। বেদে সহ অন্য অনেক জায়গায় মুর্তি পুজা নিষেধ মানে সেই মুর্তিকে পূজা করতে নিষেধ করা হয়েছৈ। কিন্তু যারা কোন মুর্তিকে পুজা করে তারা পাপ করে।

      আর বাকি তো অনেক গুলো রেফারেন্স দিয়েছেন সেখানে আমার বলার কিছুই নাই, সব্ ই সত্য। তবে আমার কথাগুলো একটু পড়ে আবার ঐগুলো পড়ুন দেখবেন অনেক ভালো লাগবে আরো।
      আশা করি এটা পড়ে অনেকের ই এই ব্যাপারে একটা ভ্রান্ত ধারনা কাটবে। ধন্যবাদ

    1. পদ্মফুল

      সত্যি ভাই এগুলো কালেকশনে রাখা ও ভাগ্যের ব্যাপার, যাই হোক আমি এতক্ষণ এই পোষ্ট ও আমার সাইট ওয়াচে রাখছিলাম গত ২৩ ঘন্টায় মানে এই পোষ্টে মোট হিট ৪৬৫ টি, আমার সাইটে মোট হিট ৬৬৪ যার ৯০% ই এখানের। তাহলে দেখা যাচ্ছে মানুষের মনে এগুলো সংগ্রহে রাখার প্রয়াস আছে। তবে আমরা যেন তর্কের প্রশ্নে না চলে যাই, যার কোন কিছু আরো জানতে মন চায় সরাসরি মেইল করুন বা সাইটে আসুন বা চ্যাটে আসুন। যতটুকু পারি সাহায্য করবো। তবে এখানে শুধু ই জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য শেয়ার হবে। ধন্যবাদ সবাইকে এত সুন্দর ভাবে আমাকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য । অনেক অনেক ধন্যবাদ।

    1. পদ্মফুল

      আপনাকেও ধন্যবাদ দাদা, ধর্ম জিনিস টা আসলেই অনেক গভীর, আমরা তার শত ভাগের একভাগ ও সঠিকভাবে হয়তো বুঝিনা, তবু যতটুকু পারি এ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। আর হ্যা আামাদের এই সনাতন বা হিন্দু ধর্মে অনেক মতের সমন্বয় হওয়াতে সঠিক পথ বা সঠিক জ্ঞান রাখা আরো দুরুহ হয়ে গিয়েছে। আমি অনেকদিন খুজেও হিন্দু ধর্ম নিযে ভালো কোনো বাংলা সাইট পাইনি, আশা করেছিলাম অন্তত ভারতে এরকম ভালো কোনো বাংলা সাইট পাবো। কিন্তু তাও পাইনি। তাই আমি আর রাজেন্দ্র নামে এক দাদা দুজনে শুরু করলাম সাইট, যতটা সম্ভব এ বিষয়ে যারা জানতে চায় তাদের সঠিক পথের সন্ধান দিতে। আর হ্যা আমাদের সাইট টি ফ্রি তে তৈরী এর বেশ কিছু কারণ আছে, আমি বলছি
      ১. প্রথমত ভাবতেই পারিনি হিন্দু ধর্ম নিয়ে এত মানুষ আগ্রহ দেখাবে, তাই সাহস করতেই পারিনি নতুন করে করা একটা সাইট ডোমেইন আর হোস্টিং নিয়ে করবো।
      ২. প্রোগ্রামিং এর কিছুই পারিনা ধরতে গেলে তাই সব কিছু রেডিমেড আছে এমন একটা জায়গাই বেছে নিয়েছিলাম, অনেক কিছু ঠেকে ঠেকে শিখেছি, এখনও শিখছি প্রতিদিন, তবে একটু কষ্ট লাগে অনেকের কাছে সাহায্য চেয়েছি কিন্তু হিন্দু ধর্ম নিয়ে সাইট দেখেই আর এ ব্যাপারে কথাই বলেনি।
      ৩. অন্যতম কারণ হচ্ছে ভাই আমি গরীব মানুষ, দিন আনি রাত খাই অবস্থা। তাই সাহস করে ডোমেইন কেনার কথা ভাবতে পারছিনা, আবার সামনে পড়া শেষ হলেই আর কতটা সময় দিতে পারবো এটা ভেবেও পিছিয়ে যাচ্ছি।

      তবে এত এত মানুষের অনুপ্রেরণা পেয়েছি যে অনেক অনেক ভালো লাগে। আজকে মনে হয় সাইট তৈরী করার ১০০ দিন এর মধ্যে মোট হিট ১১,৬৩০। হিন্দু ধর্ম নিয়ে করা সাইটে এত হিট সত্যি কল্পনাও করিনি। আপনার সাথে অন্য সবাইকেও স্বাগতম, আসবেন প্রতিদিন , যতটা পারি জ্ঞানের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন

Leave a Reply