প্রত্যেক মুসলিম ভাই ও বোনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি……।

11
1172

ডক্টর জাঁকির নায়েক এর পরিচয় নিশ্চয় দেওয়া লাগবেনা।
উনার unity of the muslim ummah. এই অসাধারন লেকচার টা
আমাদের মুসলমানদের অবশ্যই শোনা দরকার।
কারন মুসলমান রা আজ অনেক ভাগে ভাগ হয়ে গিএছি…।। এক দল অন্য দল্কে ভুল বলি।
যেন সব্বাই ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের অনুসারী।
কিন্তু ধরম তো আমাদের ইসলাম।
তাহলে কেন আমাদের ভেতর কোন ঐক্য নেই।
কিন্তু দুনিয়ায় টিকে থাকতে হলে মুসলমান দের একতা অত্তান্ত জরুরি।

এটা মুসলিমদের একতা নিএ একটি অসাধারণ লেকচার।
এতে মাজহাব নিএ চমৎকার আলোচনা করেছেন উনি।
৪ মাজহাব এর বিভিন্ন ইমাম দের উক্তি নিএ উনি খুব চমৎকার আলোচনা করেছেন।
আমি এটা কালেক্ট করে যতদূর সম্ভব ফাইল সাইজ ছোটো করার চেষ্টা করেছি, যাতে আপনাদের এমবি কম খরচ হয়।
মাত্র ২৫ মেগাবাইট।
কেউ ডাউনলোড করতে চাইলে এখান থেকে নিএ নিন।

মুসলিম দের এমন লেকচার অবশ্যই অবশ্যই শোনা দরকার।
তাই দেরি না করে মাত্র ২৫ এমবি এর ফাইল টা ডাউনলোড করে নিন এখুনি!

জাঁকির নায়েক এর বিরোধী কেউ থাকলে বাজে মন্তব্য করবেননা। আস্তে এড়িয়ে যাবেন।

11 মন্তব্য

  1. reference, দেন ঠিক আছে কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা দেন নিজের ইচ্ছামতো। দেখেন ভাই উনার সব লেকচার ই আমার ব্যাক্তিগতভাবে ভালো লাগে কিন্তু কিছু কিছু ব্যাপারে উনার যুক্তি বা ব্যাখ্যা একেবারেই মনগড়া । যেমন হুর এর ব্যাপারে জাকির নায়েক এর বক্তব্য হল মহিলা রা ও জান্নাতে ৭০ জন করে পুরুষ হুর পাবে । এখানে উনি হুর শব্দের মনগাড়া ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যেখানে এতো গুরুত্ত্বপুর্ণ একটা বিষয় যদি এরকম ই হতো তাহলে অবশ্যই নবী সাঃ এর ইঙ্গিত আমাদের দিয়ে যেতেন। এই ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে উনি কি কোন হাদীসের রেফারেন্স দিয়েছেন?

    • je khetre quran hadiser kono reference nai sheta alem der ijtihad er upor shiddhanto ashbe. ijtihad kore uni hoyto এইটা দিয়েছেন. হুরের বেপারে উনার লেকচার আমি শুনিনি….. হয়ত বলে থাকতে পারেন. সেটা ইজতিহাদ. ইজতিহাদ এর সুযোগ ইসলামে আছে. দেখেন, এক এক মাজহাবের লোক এক এক নিয়মে হাত বেধে নামাজ পরে, এখন এমন না যে নবিজি স.ম এক এক মাজহাবের লোক দের এক এক নিয়মে হাত বাধতে বলেছেন. হাত বাধার বেপারে হাত কোথায় হাত বাধতে হবে এ বেপারে অনেক হাদিস আছে. এক এক তা এক এক জায়গায় বাধতে বলে. এখানে তাহলে আলেম গণ ইজতিহাদের মাধ্যমে হাত বাধার নিয়ম বলবেন. জাকির নায়ক ও হয়ত ইজ তিহাদের ভিত্তিতে ইটা বলেছেন. যেখানে শরিয়াতে স্পষ্ট কোনো নির্দেশ নেই সেইখানে আলেম দের ইজতিহাদ করে একটা ঠিক করতে হবে.
      তবে আমাদের বুঝতে হবে যে মানুষ মাত্রই ভুল করে. তাই কেউ যদি ভুল ফতব দায় তবে তাকে জানাতে হবে. কিন্তু এর জন্য তার বেপারে কারো বদনাম করা উচিত না. অনেকেই উনার বদনাম করে. কিন্তু তারা তখন ভুলে যায় যে মানুষ মাত্রই ভুল করে. কোনো বেপারে কেউ ভুল ফতব দিলে তাকে পুরো পুরি ট্যাগ করে দিতে হবে এমন না. যেটা ভুল বলে সেটা নিয়ে পারলে আপনি আলোচনা করুন. উনাকে ইমেইল করে উনার সাথে আলোচনা করে উনাকে শুধতে দেন. তবে তার ভালো দিক গুলো অবশ্যই আমাদের সাপোর্ট করে সেগুলো প্রচার করা উচিত.
      তবে আমার পোস্ট পরার জন্য সবাই কে ধন্য বাদ.

একটি উত্তর ত্যাগ