আপনি আর লিখতে পারবেন নাহ,তাই কি মনে হচ্ছে? “চলুন তো দেখি আবারো শুরু করা যায় কিনা”  FavoriteLoadingবুকমার্ক

হতাশ? দ্বিধায় ভুগছেন? ভাবছেন আপনি আর কখনোই হয়তো কোন বিষয় নিয়ে লিখার জন্য কীবোর্ড ধরতে পারবেন নাহ?  হ্যাঁ আপনি সফলভাবে “রাইটার ব্লকে” আক্রান্ত হয়েছেন এবং তা আমাদের সবার মাঝেই কিছুনা কিছু, কখনো না কখনো দেখতেই পাওয়া যায়। তবে লক্ষ্য করলে দেখে থাকবেন একসময় সবাই তা কাটিয়ে উঠেছিল, উঠছে, উঠবে । এবার তাই আপনার পালা :) আপনি আর লিখতে পারবেন নাহ,তাই কি মনে হচ্ছে? “চলুন তো দেখি আবারো শুরু করা যায় কিনা” আপনি অজস্র লেখার বিষয় খুঁজে নিতে পারবেন যদি আপনি তা চান।

“বসুন সাছন্দময় ভাবে, আরামাদায়ক ভাবে। আপনি ব্লগে একটি আর্টিকেল লিখতে যাচ্ছেন। যার ফলে আপনার কিছুটা সময় এখানে দিতে হচ্ছে। লিখতে হচ্ছে আপনার কথাগুলো। যদি আপনি আরামদায়ক ভাবে নাই বসতে পারেন তবে একসময় লেখা শেষ হবার আগেই আপনি উঠে যাবেন বিরক্ত হয়ে। তাই নিজের ল্যাপটপ বা ডেস্কটপটি এমন কোথাও সেট করুন যেখানে বসে আপনি সাছন্দবোধ করবেন :) আপনি আর লিখতে পারবেন নাহ,তাই কি মনে হচ্ছে? “চলুন তো দেখি আবারো শুরু করা যায় কিনা”

ছোট্ট একটা টিপসঃ

অনেক সময় হয়তো দেখা যায় আপনি কিছু একটা লিখবেন বলে ভাবলেন! কিন্তু যখনি কীবোর্ডের দিকে চোখ গেল তখন আর ওই “সাদা পেজে কালো অক্ষর” ফুটিয়ে তোলার ইচ্ছে বা সাহস কোনটাই হলো না :( আপনি আর লিখতে পারবেন নাহ,তাই কি মনে হচ্ছে? “চলুন তো দেখি আবারো শুরু করা যায় কিনা” । এর কারণ হচ্ছে আপনার অনেকদিনের অনভ্যাস। তাই আজি একটি পেজ ওপেন করুন এবং লেখা শুরু করুন। কি বিষয়ে লিখবেন সেটি কোন মুখ্য বিষয় নয়, মূলত আপনাকে ৪/৫ পেজ লিখতে হবে এটাই মুখ্য বিষয় :) আপনি আর লিখতে পারবেন নাহ,তাই কি মনে হচ্ছে? “চলুন তো দেখি আবারো শুরু করা যায় কিনা” আশা করি এতে আপনার লেখার ভয়টা অনেকাংশেই দুর্বল হয়ে যাবে :D আপনি আর লিখতে পারবেন নাহ,তাই কি মনে হচ্ছে? “চলুন তো দেখি আবারো শুরু করা যায় কিনা”

প্রেরণা যোগান নিজেকে যখনি সময় পাবেন। কখনো অলসভাবে সময় নষ্টকরার খেলায় মেতে উঠবেন নাহ। এতে করে আপনাকে অলসতার আনন্দ পেয়ে বসবে। আপনিও যখন বুঝতে পারবেন তখন হয়তো দেখবেন আপনি পিছিয়ে গেছেন অনেক দূর। আরো কষ্ট লাগবে যখন দেখবেন আপনার থেকে অনেক নিচে যে বেক্তিটি ছিল সে এখন আপনার থেকেও উচ্চস্থানে অবস্থান করছে। গতদিন গুলোতে যারা আপনাকে মাথায় করে রাখতো, তারা যদি একসময় আপনার কোন মূল্যই না দেয় তবে ভেবে দেখুন ক্যামন লাগবে আপনার……

নিজের লেখার পাশাপাশি অন্যদের লেখাগুলো পড়ুন। আপনার লেখা পড়ে যেমন অন্যরা উৎসাহ পায় ,ঠিক তেমনি নিজের উৎসাহের জন্য আপনিও অন্যদের লেখাকে পড়তে শিখুন, শিখুন সবার সাথে ভালো-মন্দ শেয়ার করতে। পড়ুন সে সব অনুপ্রেরণা মূলক লেখা যা আপনার কাজে দেবে। লেখা পড়ার সময় টুকু নষ্ট হয়েছে তা কক্ষনোই মনে করতে দেবে নাহ।

চিন্তা করতে শিখুন, ভাবতে শিখুন, শিখুন কল্পনা করা। তবে তা  ক্ষুদ্রভাবে নয়, হতে হবে বিশাল। আপনার ক্ষুদ্র চিন্তা আপনাকে প্রতিনিয়ত ছোট করেই রাখবে। কখনো দেখতে দেবেনাহ বিশাল কোন বিস্ময়, বুঝতে দেবেনাহ এর থেকেও কোন আনন্দময় জিনিশ আপনার পাশেই আছে :( আপনি আর লিখতে পারবেন নাহ,তাই কি মনে হচ্ছে? “চলুন তো দেখি আবারো শুরু করা যায় কিনা” । তাই ভালোকিছু চিন্তা করুন, আপনার বিশাল বিশাল স্বপ্নই, আপনার বিশাল বিশাল উদ্যোগই একদিন আপনাকে একটু একটু করে বয়ে নিয়ে যাবে কোন এক স্বপ্নলোকের জগতে। যা তখন আর স্বপ্ন হয়ে নয়, বাস্তব হয়েই ধরা দেবে আপনার জীবনে :D আপনি আর লিখতে পারবেন নাহ,তাই কি মনে হচ্ছে? “চলুন তো দেখি আবারো শুরু করা যায় কিনা”

<<~ভালো থাকুন, ভালো থাকার চেষ্টা করুন~>>

আমার লেখটি যদি ভালো লেগে থাকে তবে আমার ফেসবুক পেজে যোগদান করুন :) আপনি আর লিখতে পারবেন নাহ,তাই কি মনে হচ্ছে? “চলুন তো দেখি আবারো শুরু করা যায় কিনা”

এই জাতীয় আরো টিউন

3 মতামত গুলো

আপনিও লিখুন মতামতের উত্তর

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

3 × 5 =