ব্লু-রে ডিস্ক বা Blu-ray প্রযুক্তি সম্পর্কে জেনে নিন

4
404
ব্লু-রে ডিস্ক বা Blu-ray প্রযুক্তি সম্পর্কে জেনে নিন

ওয়েস্ট লাইফ

বয়স অনেক কম কিন্তু টেকনোলোজিকে অনেক অনেক ভালোবাসি। আমার ঘরে প্রযুক্তি সম্পর্কিত যন্ত্রসমুহ যেমন আইপ্যাড, আইপড, আইফোন, Play Station 3, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, Xbox ইত্যাদি প্রায় সবই আছে। আমার ইউজারনেম কেন তা আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। কারণ আমি জনপ্রিয় হলিউড ব্যান্ড এর মস্ত বড় ফ্যান। আমি টিউনার পেজে আমার জানা সবকিছু শেয়ার করার চেষ্টা করব। আপনাদের সকলের সাথে প্রযুক্তির যাত্রা শেষ হবে না যতদিন পর্যন্ত আপনারা আমাকে সাপর্ট করবেন। আমি বেশিরভাগ সময় লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকি তাই চেষ্টা করব যতটা সম্ভব টিউনার পেজের সাথে থাকার।
ব্লু-রে ডিস্ক বা Blu-ray প্রযুক্তি সম্পর্কে জেনে নিন

আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে যারা ইন্টারনেট থেকে অনেক মুভি ডাউনলোড দেয়। আর যারা এসবে পারদর্শী এবং সবচেয়ে ভালো প্রিন্টে মুভি দেখে তারা সবাই ব্লু-রে ডিস্কের সাথে পরিচিত। আপনি যদি সবথেকে ভালো প্রিন্টে মুভি ডাউনলোড করে দেখতে চান তাহলে ব্লু-রে রিপ, সংক্ষেপে বিআর রিপ অন্যতম। আজকে আমি আপনাদের এই ব্লু-রে প্রযুক্তি সম্পর্কে জানাব।

ব্লু-রে ডিস্ক (ইংরেজি: Blu-ray Disc) যা বিডি বা ব্লু-রে) নামেও পরিচিত, এক প্রকার অপটিকাল ডিস্ক ডিভাইস, যা ডিজাইন করা হয়েছে অপর এক ধরনের তথ্য সংরক্ষণকারী ডিভাইস ডিভিডি-এর সাথে সাদৃশ্য রেখে।

 

ব্লু-রে ডিস্ক বা Blu-ray প্রযুক্তি সম্পর্কে জেনে নিন

এর মূল ব্যবহার হচ্ছে হাই-ডেফিনিশন ভিডিও, প্লেস্টেশন ৩ ভিডিও গেম, এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণে। প্রতিটি একক লেয়ার বিশিষ্ট ব্লু-রে ডিস্ক ২৫ গিগাবাইট পর্যন্ত তথ্য ধারণ করতে পারে, আর দ্বৈত লেয়ারের ক্ষেত্রে এই ধারণক্ষমতা হয় ৫০ গিগাবাইট। যদিও এই ধারণক্ষমতা এর আদর্শ মাত্রাকে নির্দেশ করছে তদুপরি এর ধারণক্ষমতা এখনো বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ২০০ গিগাবাইটের ডিস্কও আবিষ্কৃত হয়েছে; এবং ১০০ গিগাবাইটের ডিস্কও আছে, যেগুলো কোনো অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ বা সফটওয়্যার ছাড়া শুধুমাত্র সাধারণ ব্লু-রে ডিস্ক রিডার ব্যবহারের মাধ্যমেই তথ্য পাঠ করতে পারে।এই ডিস্কের আকার-আকৃতি প্রচলিত সিডি-ডিভিডির মতোই !!!

ব্লু-রে ডিস্ক বা Blu-ray প্রযুক্তি সম্পর্কে জেনে নিন

ব্লু-রে ডিস্ক নামটি এসেছে এই ডিস্কে ব্যবহৃত নীল-বেগুনী লেজারের (ব্লু-ভায়োলেট লেজার) নামানুসারে। এই ডিস্কের তথ্য পাঠ করতে এই লেজার ব্যবহৃত হয়। সাধারণ মানসম্পন্ন আদর্শ ডিভিডির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় ৬৫০ ন্যানোমিটারের লাল লেজার। ব্লু-রে ডিস্কে তুলনামূলক ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য, প্রায় ৪০৫ ন্যানোমিটারের নীল-বেগুনি লেজার ব্যবহৃত হয়। এর ফলে প্রচলিত ডিভিডির থেকে এটিতে প্রায় ১০ গুণ বেশি তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।

ব্লু-রে ডিস্ক বা Blu-ray প্রযুক্তি সম্পর্কে জেনে নিন

ব্লু-রে ডিস্ক তৈরি করেছে ব্লু-রে ডিস্ক অ্যাসোসিয়েশন। এটি ইলেকট্রনিক্স, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, এবং চলচ্চিত্র ক্রেতাদের স্বার্থ উপস্থাপনকারী একটি সংগঠন। জুন ২০০৯ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যে প্রায় ১,৫০০ ব্লু-রে ডিস্ক টাইটেল পাওয়া গেছে, এবং জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, ও কানাডায় পাওয়া গেছে প্রায় ২,৫০০।

4 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ