পেপ্যাল (paypal) নিয়ে বিস্তারিত ধারবাহিক প্রতিবেদন (পর্ব ১)

3
366

পেপ্যাল একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান যারা অর্থের স্থানান্তর বা হাতবদল ইন্টারনেটের মাধ্যমে করা সহায়তা দিয়ে থাকে। অননলাইন স্থানান্তরের এই পদ্ধতি গতানুগতিক অর্থের লেনদেনের পদ্ধতি যেমন চেক বা মানি অর্ডারের বিকল্প হিসেবে ব্যাবহৃত হয়ে থাকে।

একটি পেপ্যালের একাউন্ট খোলার জন্য কোন ব্যাঙ্ক একাউন্টের ইলেকট্রনিক ডেবিট কার্ড অথবা ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন পড়ে। পেপ্যালের মাধহ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রে গৃহীতা পেপ্যাল কর্তৃপক্ষের নিকট চেকের জন্য আবেদন করতে পারে, অথবা নিজের পেপ্যাল একাউন্টের মাধ্যমে খরচ করতে পারে অথবা তার পেপ্যাল একাউন্টের সাথে সংযুক্ত ব্যাঙ্ক একাউন্টে জমা করতে পারে।

পেপ্যাল (paypal) নিয়ে বিস্তারিত ধারবাহিক প্রতিবেদন (পর্ব ১)

পেপ্যাল অনলাইন বিক্রেতাদের জন্য অর্থ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে, এছাড়াও অনলাইন , নিলামের ওয়বসাইট, ও অন্যান্য বানিজ্যিক ওয়েবসাইট পেপ্যালের সেবা গ্রহণ করে যার জন্য পেপ্যাল ফী বা খরচ নিয়ে থাকে। এছাড়াও অর্থ গৃহণের জন্যেও ফী নিয়ে থাকে যা মোট গৃহীত অর্থের সমানুপাতিক হয়ে থাকে। এই ফী বা খরচ নির্ভর করে কোন দেশের মূদ্রা ব্যাবহার হচ্ছে, কিভাবে অর্থের লেনদেন হচ্ছে প্রেরক ও প্রাপকের দেশ, পাঠানো অর্থের পরিমান ও প্রাপকের একাউন্টের ধরণের ওপরে।এছাড়াও, ইবে ওয়েবসাইট থেকে পেপ্যালের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড ব্যাবহার করে কেনাকাটা করলে পেপ্যাল আলাদা অর্থ গ্রহণ করতে পারে যদি ক্রেতা ও বিক্রেতা ভিন্ন মূদ্রা ব্যাবহার করে।

২০০২ সালের ৩রা অক্টোবার পেপ্যাল বৃহৎ নিলাম সাইট ই-বের অঙ্গপ্রতিষ্টান হিসেবে মালিকানা পরিবর্তন করে।যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার, সান জোসে, শহরে পেপ্যালের প্রধান শাখা অফিস যা ই-বের নর্থ ফার্স্ট স্ট্রীট স্যাটেলাইট অফিসে অবস্থিত। এছাড়াও এই প্রতিষ্টানের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকান্ড রয়েছে নেব্রাস্কার ওমাহা ; আরিজোনার স্কটডেল; এবং অস্টিন টেক্সাস যুক্তরাষ্ট্রের. মধ্যে, এছাড়াও রয়েছে চেন্নাই, ডাবলিন, ক্লিয়েনম্যাকনো (বার্লিনের নিকটে) এবং তেল আভিভ. জুলাই ২০০৭ পর্যন্ত , সমগ্র ইউরোপে পেপ্যাল একটি লুক্সেমবুর্গ-ভিত্তিক ব্যাঙ্ক হিসেবে পরিচালিত হয়।

পেপ্যাল (paypal) নিয়ে বিস্তারিত ধারবাহিক প্রতিবেদন (পর্ব ১)

২০১০ সালের মার্চের ১৭ তারিখে পেপ্যাল চীনের ব্যাঙ্ককার্ড সমিতি চায়না ইউনিয়নপে (সিইউপি)র, সাথে সমঝোতায় আসে যা চীনের ভোক্তাদের পেপ্যালের মাধ্যমে অনলাইনে কেনাকাটা করতে সুযোগ করে দেবে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] পেপ্যাল ২০১০ সালের শেষ নাগাদ এশিয়া মহাদেশে তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ২০০০ এ উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে।এক্সপ্রেশন ত্রুটি: অযাচিত < অপারেটর

২০১০ সালের ৪-৯ তারিখের মধ্যে পেপ্যালের সেবা ব্যাহত হয় ডিনায়াল অফ সার্ভিস আক্রমনের কারণে যেটি সংগঠিত করেছিল এনোনিমাস। যা ছিল তাদের প্রতিবাদ পেপ্যাল কর্তৃক উইকিলিকস এর একাউন্ট জব্দের বিপরীতে। যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কেবল অনলাইনে ফাঁস করে দিয়ে পেল্যালের চুক্তির নিয়মাবলী ভঙ্গ করে বলে অভিযোগ জানায় পেপ্যাল

3 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ