চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

5
2230

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

আজকের ব্লগে আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো চেনা অচেনা রকমারি ভিনদেশী ফলমূল এর সাথে। যারা বিদেশে আাছেন তারা অনেকেই চিনতে পারেন এই ফলগুলো আর যারা দেশে আাছেন তারা নামগুলো জেনে রাখুন, বলাতো যায় না একদিন আপনিও যেতে পারেন দেশের বাইরে, দেখা হতে পারে  কোন একটি ফলের সাথে।

 

তাহলে চলুন এবার জেনে নিই ভিনদেশী ফলগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য:

 

তরমুজ:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

তরমুজের উৎপত্তি দক্ষিণ আফ্রিকায় হলেও এটি সবপ্রথম মিশরে চাষ করা হয়। উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের কাছে এটি পেপো নামে পরিচিত। পৃথিবীতে প্রায়  ১২০০ প্রজাতির তরমুজ পাওয়া যায়। তরমুজের শাঁস  লাল, কমলা, হলুদ, সাদা হতে পারে। ভিয়েতনামিরা তরমুজের বীজ স্ন্যাক হিসেবে নববর্ষের দিন খেয়ে থাকে।

 

স্টারফ্রুট/কামরাঙ্গা:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

এটি ক্যারামবোলা বা স্টার ফ্রুট নামে পরিচিত। বাংলাদেশে এটি কামরাঙ্গা নামে সবাই চিনেন। কামরাঙ্গার উৎপত্তিটা সঠিক জানা নেই, তবে ধারণা করা হয়ে থাকে শ্রীলংকা , ভারত বা ইন্দোনেশিয়াতে এটির উৎপত্তি। কামরাঙ্গার রয়েছে নানা গুণাগুণ যেমন- কামরাঙ্গাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট , পটাশিয়াম, ভিটামিন সি । যারা কিডনি জটিলতায়  ভুগছেন যেমন কিডনিতে স্টোন বা যারা কিডনি ডায়ালাইসিস চিকিৎসায় আছেন তাদের কামরাঙ্গা খাওয়ার ক্ষেত্রে সচেতন থাকা উচিত। কেননা কামরাঙ্গাতে রয়েছে অক্সালিক এসিড যা কিডনি জটিলতায় ভুক্তোভুগীদের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

 

কলা:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

কলাকে তো নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নাই। এটির উৎপত্তি দক্ষিণ এশিয়াতেই। পৃথিবীর প্রায় ১০৭টি দেশে কলার চাষাবাদ হয়ে থাকে। কলাতে রয়েছে ভিটামিন বি-৬,ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম। এটি কলোরক্টোল ক্যান্সার কলার , ব্রেস্ট ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমায়।

 

সালাক:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

সালাক  এর উৎপত্তি কবে , কোথায়  অজানা ।তবে সালাক ইন্দোনেশিয়ার ফল হিসেবেই পরিচিত। সালাক পাম ট্রির একটি প্রজাতি। সালাক ফলের ত্বক দেখতে সাপের ত্বকের মত বলে একে স্ন্যাক ফ্রুটও বলে।

 

জাম্বু এয়ার/জামরুল:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

জাম্বু এয়ার/জামরুল বিভিন্ন নামে পরিচিত- ওয়াক্স অ্যাপল, লাভ অ্যাপল , জাভা অ্যাপল, রোজ অ্যাপল , ওয়াটার অ্যাপল , মাউন্টেইন অ্যাপল , ক্লাউড অ্যাপল  ।

 

লিলি পিলি ফ্রুট:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

লিলি পিলি ফ্রুট হলো অস্ট্রেলিয়ান ফ্রুট । এটি ব্রাশ চেরী, এল্ডার , রাইবেরী নামেও পরিচিত।

 

 

দুরিয়ান:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

ছবি দেখে নিশ্চয়ই মনে হচ্ছে এটি কাঁঠাল। না, কাঁঠালের মত দেখতে  বিদেশী একটি ফল , নাম দুরিয়ান । এটিকে দক্ষিণ এশিয়ার ফলের রাজা হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। এই ফলটির গন্ধ অনেক বাজে (পঁচা পেঁয়াজ, ড্রেইন, তারপিনের মত) যার কারণে এটি আরো  বেশী পরিচিত। এ জন্যই বিভিন্ন জায়গায় দুরিয়ান খাওয়ার অনুমতি নাই।

 

অ্যাকী:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

এটি  পশ্চিম আফ্রিকান ফল ।

ম্যাঙ্গোস্টিন:

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

এটি সুন্দা দ্বীপের ফল। ম্যাঙ্গোস্টিনকে ফলের রাণী  বলা হয়।

 

বুদ্ধাস হ্যান্ড ফ্রুট:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

বুদ্ধাস হ্যান্ড ফ্রুট এর উৎপত্তি  ভারত অথবা চায়নাতে।

 

উরুকু:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

উরুকু আমেরিকান ফল।  তবে উরুকু দক্ষিণ এশিয়াতেও চাষ করা হয় । এটি এপ্লোপপাস  নামেও পরিচিত।

 

কিওয়ানো/ আফ্রিকান শসা:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

কিওয়ানো আফ্রিকান ফল , শসার মত তাই একে আফ্রিকান শসাও বলে । এটি  মেলন, জেলী মেলন, ইংলিশ টমেটো নামেও পরিচিত।

 

জাবুটিকাবা:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

জাবুটিকাবা  ব্রাজিলিয়ান আঙ্গুর ফল। জাবুটিকাবা ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে, ভলিবিয়ায় চাষ করা হয়।

 

মুসা ভেলুটিনা:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

মুসা ভলেুটনিা কলার মতই একটি ফল। কলার একটি প্রজাতি। মুসা ভলেুটনিার খোসার রং লাল হয়ে থাকে।

 

 

ট্রী টমেটো:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

ট্রী টমেটো পেরু, চিলি, কলম্বিয়াতে চাষ করা হয়।

 

র‌্যামবুটান:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

র‌্যামবুটান লিচুর মত । এর উৎপত্তি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে।

 

কামকোয়াট:

 

চেনা অচেনা ভিনদেশী ফলমূল। গিগা পোস্ট+ ৩টি মজার কৌতুক!!

 

এটি মাল্টা, কমলার মতই দেখতে, কিন্তু আকারে ছোট। এটি চায়নায় চাষ করা হয়। এছাড়াও  কোরিয়া, তাইওয়ান, জাপান, পাকিস্তানেও চাষ করা হয়। তবে বাংলাদেশে চাষ করা হয়না, আমদানী করে  আনা হয়। আপনারাও ইচ্ছা করলে খেতে পারেন, কারণ ফলগুলো যেমন সুস্বাদু তেমনি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এমনেই অনেক বড় হয়ে গিয়েছে পোস্টটা। মনেহয় বোরিং লাগছে। তাই ৩টা কৌতুক শুনিয়ে বিদায় নিচ্ছি।

১.

সে অনেক বছর আগের কথা। আমেরিকা আর বাংলাদেশের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। দুই দেশের সেনারাই বাংকারে লুকিয়ে থেকে যুদ্ধ করছে। ফলে কারো গায়েই গুলি লাগছে না। তো এভাবে চলতে চলতেই বাংলাদেশি সেনারা একটা বুদ্ধি বের করলো….

তাদের মধ্য থেকে একজন আমেরিকান সেনাদের উদ্দেশ্যে বলল, ‘ওই তদের মধ্যে জন কে রে?’

আমেরিকান বাংকার থেকে একজন বেরিয়ে এসে বলল, ‘আমি জন!’

বাংলাদেশিরা তাকে গুলি করে মেরে ফেলল…তারপর আবার ডাক দিলো, ‘ওই স্মিথ আছস?’

আরেকজন আমেরিকান জবাব
দিল, ‘আছি!’

তাকেও গুলি করে মেরে ফেলা হলো…

এবার আমেরিকানরা চিন্তায় পরে গেলো। তারা ভেবে দেখল বাংলাদেশিদের সাথে বুদ্ধিতে পারা যাবে না। তাই তারা ঠিক করলো তাদের বুদ্ধি দিয়েই তাদের ঘায়েল করবে। এবার এক আমেরিকান সেনা চেচিয়ে উঠল, ‘ওই মোখলেস আছস নাকি?’

বাংলাদেশি সেনারা বুঝল তাদের
বুদ্ধি ধরা খেয়ে গেছে। তাই তারা নতুন বুদ্ধি বের করলো। পাল্টা চেচিয়ে বলল,’ওই মোখলেস রে ডাকসে কেডা রে?!’

আমেরিকানটি বেরিয়ে এসে বলল, ‘আমি ডাকসি!!’
তারপর ??
.
.
.
.
তারপর তাকেও গুলি করে মেরে ফেলা হলো!!! এভাবে বাংলাদেশীরা যুদ্ধে জিতে গেল :P

২.
ইন্টারভিউ কক্ষে চুক্কু মিয়া…অফিসারঃ আপনার “ওয়ার্ড পাওয়ার” দেখা যাক… “ভালো”র বিপরীত?
চুক্কুঃ খারাপ…
অফিসারঃ যাওয়া?
চুক্কুঃ আসা…
অফিসারঃ কুৎসিত?
চুক্কুঃ সুৎসিত!!
অফিসারঃ সুৎসিত!???
চুক্কুঃ কুৎসিত…
অফিসার (রাগান্বিত হয়ে): চুপ করেন মিয়া…
চুক্কুঃ বলতে থাকেন বিবি!!
অফিসার (আরো রেগে): অনেক হয়েছে।আপনি যেতে পারেন…
চুক্কুঃ কিছুই হয়নি! আপনি আসতে অক্ষম!!
অফিসার (ততোধিক রাগান্বিত স্বরে): হোয়াট দা হেল ইজ রং উইদ ইউ?
চুক্কুঃ হোয়াট দা হেভেন ইজ রাইট উইদ ইউ!!
অফিসার (চিৎকার করে): বেরিয়ে যাও… !
চুক্কু (আরো নরম স্বরে):
ভিতরে আসো!!
অফিসার (হতাশ হয়ে): ওহ মাই গড..!
চুক্কুঃ ওহ ইউর ডেভিল!!
অফিসার (নরম স্বরে):
আপনি”রিজেক্টেড” …
.
.
.
.
.
.
চুক্কু (চিৎকার করে): ইয়েস আমি”সিলেক্টেড” :P

৩.

বল্টুকে অতিরিক্ত স্পিডে গাড়ি চালানোর দায়ে ট্রাফিক পুলিশ দাঁড় করাল।পুলিশঃ কী ব্যাপার, এত স্পিডে চালাচ্ছিলেন কেন?
বল্টুঃ কী করব? আমার তো লাইসেন্স নেই।
পুলিশঃ কী সর্বনাশ! লাইসেন্স ছাড়াই গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছেন?
বল্টুঃ কী আর করা। আমার স্ত্রীকে হঠাৎ খুন করে ফেললাম। লাশটাকে তো গুম করতে হবে।
পুলিশঃ (ভড়কে গিয়ে) লাশ কই?
বল্টুঃ বনেটে আছে।

সঙ্গে সঙ্গে ওয়্যারলেসে সবখানে খবরটা জানিয়ে দিলেন ট্রাফিক পুলিশ। তার মনে

একজন ভয়ংকর
অপরাধী ধরার সাফল্যে প্রমোশনের আশা।পুলিশের বড় কর্তা সবাই এসে হাজির, সঙ্গে মিডিয়া। বল্টুকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরা হলো। বড় কর্তা জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি নাকি খুন করেছ?’

শুনে বল্টু চেঁচিয়ে উঠল, ‘এই পুলিশ একটা মিথ্যুক। ঘুষ না পেয়ে আমাকে ফাঁসাতে চাইছে।
আমি খুনটুন কিছু করিনি।’

বড় কর্তা বল্টুর কথায় কান
না দিয়ে গাড়ির বনেট তুললেন।
সেখানে কিছু নেই। পুরাই ফাঁকা।
রাগতদৃষ্টিতে তিনি এবার ট্রাফিক
পুলিশের দিকে তাকালেন।

পুলিশ বেচারা আমতা আমতা করে বলতে লাগলেন, ‘লোকটা লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাচ্ছে।’

বল্টু সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে উঠল, ‘ব্যাটা মিথ্যুক, এটা কী?’ এই বলে পকেট থেকে লাইসেন্সটা বের করে দিল।

লাইসেন্স দেখে পুলিশ আমতা আমতা করে আরো কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, তখন বল্টু চেঁচিয়ে উঠল, ‘বলুন, আরো বানিয়ে বানিয়ে বলুন। এবার নিশ্চয়ই বলবেন যে আমি বেশি স্পিডে গাড়ি চালাচ্ছিলাম!’ :P

ভালো থাকবেন এই কামনা। পোস্টটি ভালো লাগলে কমেন্ট এবং শেয়ার করবেন। আজ এই পর্যন্তই। বিদায়!!!

5 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ