গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে গিয়ে যে ৫টি ভুল হয়ে থাকে তার সমাধান

15
1271

প্রিয় পাঠক, আমি জানি কতটা কষ্টের টাকা দিয়ে আমরা একটি কম্পিউটার কিনি। আর তা যদি হয় শখের গেমিং কম্পিউটার তাহলেতো কথাই নেই। টাকার কষ্ট এবং শখ, দুই মিলে এক ভয়ংকর অবস্থা। আর কেনার পরে যদি দেখা দেয় সমস্যা, তাহলে কথাই নেই… মন খারাপ, পকেট খারাপ … একটু সাবধান হলেই কিন্তু আমরা এই খারাপ গুলোকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারি।

কয়েক দিন আগে ইন্টারনেট এ ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে একটি পোস্ট দেখলাম, যার বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায়, “গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে গিয়ে যে ছয়টি ভুল আপনি করেন”। অনেক টা সেরকম একটি পোস্ট আপনাদের সাথে আজকে আমি শেয়ার করতে যাচ্ছি। তবে এখানে আমি সেই পোস্ট টি ঠিক সরাসরি অনুবাদ করে দেই নি, আমি আমার কিছু নিজের অভিজ্ঞতাও এখানে তুলেছি। তাহলে চলুন দেখে নেই একজন গ্রাফিক্স কার্ড এর ক্রেতা হিসেবে কি কোন ধরনের ভুল গুলো আমরা করে থাকি এবং এর কিছু সমাধান।

ভুলঃ১ মেমোরির উপর ভিত্তি করে গ্রাফিক্স কার্ড নির্বাচনঃ

গ্রাফিক্স কার্ড ক্রেতারা সবচাইতে বেশি এই ভুল টি করে থাকেন। অবশ্য তাদের দোষ নেই। আমরা সবসময় জেনে এসেছি, যত বেশি, তত ভালো। আসলেও কিন্তু তাই। তবে কথা হচ্ছে, গ্রাফিক্স কার্ড কিন্তু শুধু মাত্র এর মেমোরি দিয়েই চলে না। জিপিইউ, মেমোরি বাস এবং আরো কিছু কম্পোনেন্ট একটি গ্রাফিক্স কার্ড কে অসাধারণ করে তুলে।
যেমন ধরাযাক; আপনি একটি গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে চাচ্ছেন। আপনার কাছে দুটি পছন্দ আছে, একটি; 8600GT কার্ড যার মেমোরি 512MB এবং 8800GT যার মেমোরি 256MB । আপনি পছন্দ করলেন, প্রথমটি … কেন ?? “আরে ভাই দেখেন না ? ৫১২ মেগাবাইট মেমোরি আছে…” ভুল …… আপনি মেমোরি দেখলেন, কিন্তু এটা ভুলে গেলেন যে, 8600GT কার্ড টির থেকে 8800GT কার্ড টি অনেক বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন। কিভাবে ? নিজেই দেখুন;

গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে গিয়ে যে ৫টি ভুল হয়ে থাকে তার সমাধান


এটাও মনে রাখা উচিত যে, অনেক বেশি পরিমাণের মেমোরি শুধু মাত্র তখনই কাজে লাগে, যখন আপনি অনেক হাই রেজুলেশনে গেম খেলবেন, যেমনঃ ১৯২০X১০৮০, অথবা Antialiasing এবং Anisotropic Filtering ব্যবহার করবেন।

ভুলঃ২ “এটা নতুন, তাই এটার ক্ষমতা বেশি!!”

একেবারেই ভুল কথা! আপনি যে কার্ড টি কিনছেন তা কয়েক দিন আগেই বের হয়েছে, তাই এটার ক্ষমতা অনেক বেশি হবে, এমন টা ভাববার কোন কারণ নেই। আসুন একটি উদাহারন দেখা যাক;

9800GT (বের হয়েছিলঃ জুলাই ২০০৮) এবং GT430 (বের হয়েছিলঃ অক্টোবর ২০১০) এর মধ্যে কোনটি আপনি কিনবেন?, কি আপনি বলছেন, অবশ্যই GT430… এটা একেবারে আধুনিক কালের বের হওয়া ? একটু ভেবে বলুন; আচ্ছা, ভাবতে হবে না। এই লিঙ্ক টি দেখুন
তাহলে কিভাবে বুঝব, কোন কার্ড টি পুরাতন হলেও ভালো কার্ড ?

আসুন, এবার nVidia এবং ATI এর কার্ড এর মডেল নাম্বার দেখে কিভাবে কার্ড চিনব তার উপায় আপনাদের কে বলে দেই;
ATI Redion এর জন্য;

ধরুন আপনি একটি কার্ড পছন্দ করেছেন, যার মডেল হচ্ছে; ATI HD 4890 । এখানে 4890 কে তিনটি ভাগে ভাগ করে ফেলুন; 4 , 8 , এবং 90
প্রথম “4” এর অর্থ হচ্ছে, এর জেনারেশন নাম্বার। এটা যত বেধই হবে, এর অর্থ হবে, এটা ততটাই নতুন কার্ড।
পরেরটা, “8”, যার অর্থ হচ্ছে, এটার রেঞ্জ কেমন। আগের টার মতনই এটাও, যত বেশি হবে, ততটাই ভালো। এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে;

XX3X or XX4X or XX5X: লো রেঞ্জ
XX6X or XX7X: মিড রেঞ্জ
XX8X or XX9X: হাই পেরফরমেন্স / হাই রেঞ্জ
নোটঃ X= যে কোন মান।

এবং সর্ব শেষ “90”, যার অর্থ হচ্ছে, কার্ড টির ঐ জেনারেশনের অন্যান্য কার্ড এর মধ্যে কার অবস্থান। আগের সব গুলোর মতনই এটাও, যত বেশি হবে, ততটাই ভালো।

nVidia’র জন্যঃ

গ্রাফিক্স কার্ড এ সবচাইতে বেধই সাফিক্স মনে হয় nVidia ই করে থাকে। লক্ষ্য করলে দেখবেন, nVidia’র কার্ড এর একই সিরিজে অনেক গুলো ভার্শন বের করে। যেমন ছোট্ট একটি উদাহারন;

8800GS, 8800GT, 8800GTX, 8800 Ultra. nVidia সাধারনত নিচের সাফিক্স গুলো ব্যবহার করে থাকে;

GS, GT, GTS, GTX, GX2 । এদের মধ্যে সর্ব বামের গুলো হয় লো রেঞ্জের এবং সর্ব ডানের টি হয় হাই রেঞ্জের।

তবে এনভিদিয়ার কার্ড গুলো তে এখন আর GS বা GX2 দেখা যাচ্ছে না। সাধারনত GX2 এর অর্থ হচ্ছে, এই কার্ড টিতে দুটি GPU বসানো আছে, এবং এর মেমোরি বাস প্রায় দ্বিগুণ। তবে এখন যে সমস্ত সাফিক্স গুলো দেখা যায় তাহচ্ছে, GT, GTS, GTX।

GT: লো এন্ডের কার্ড। মেমোরি বাস কম, পাওয়ার দরকার হবে কম।
GTS: মধ্যম মানের কার্ড। মেমোরি বাস GT সিরিজের থেকে বেশি, তবে তেমন একটা পাওয়ার এর দরকার হবে না।
GTX: এই বেচারার সবকিছুই বেশি বেশি লাগে। এবং এগুলো হাই এন্ডের কার্ড।

ভুলঃ৩ কম্পিউটার কেস এর সাইজ এবং কার্ড এর স্পেসিফিকেশন কে বিবেচনা না করা

তো … আপনি প্রথম ভুল দুটো করলেন না। এবং বাজার থেকে অসাধারণ একটি গ্রাফিক্স কার্ড কিনে আনলেন, আর তা ছিল; এনভিদিয়ার GTX285। ভালো কথা। কিনে এনেই দেখলেন আপনার কম্পিউটার কেস এ কার্ড টি ভালো ভাবে বসছে না। আরে, বলে কি ???? জ্বি আমি ঠিক বলেছি, এবং আপনিও ঠিক ই শুনেছেন (এখানে হবে, আপনি ঠিক পড়েছেন …) অনেক সময় দেখা যায়, কম দামি কম্পিউটার কেস গুলো দায় সারা ভাবে কম্পিউটার কেস বানায়। যেখানে বড় ধরনের গ্রাফিক্স কার্ড গুলোর জন্য জায়গা থাকে না। আরো স্পেসিফিক ভাবে বলতে গেলে বলা উচিত, একটু বড় ধরনের গ্রাফিক্স কার্ড বসালেই, আপনার হার্ড ড্রাইভ রাখার জন্য যে জায়গাটা আছে তাতে আপনার কার্ড বেধে যাচ্ছে। আবার অনেক সময় দেখা যায়, আপনার কার্ড টি দুটি PCI Slot এর সমপরিমাণ জায়গা দখল করছে, যার জন্য হয়তবা, আপনার কম্পিউটার এর সাউন্ড কার্ড বা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড কে বাদ দিতে হচ্ছে, অথবা সরিয়ে দিতে হচ্ছে……
তাহলে এখন উপায় ? উপায় একটা আছে, তবে তা গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগেই, আর তাহচ্ছে, ভালো ভাবে দেখে নিন, আপনি যে গ্রাফিক্স কার্ড টি কিনবেন, তার জন্য আপনার কেমন জায়গা দেয়া লাগবে। আপনার কম্পিউটার কেস এর মধ্যে কি এতটা জায়গা আছে কি না ? আপনার PCI Express Slot এর পরে যথেষ্ট জায়গা আছে কি না, যেন আপনি দুই বা তিন স্লট এর জায়গা লাগে এমন গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে পারবেন ।

গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে গিয়ে যে ৫টি ভুল হয়ে থাকে তার সমাধান

আবার দেখা গেল; আপনার সব কিছু ঠিক আছে, আপনি আপনার কম্পিউটার এ গ্রাফিক্স কার্ড টি লাগালেন, এবং এর পরে তিন টি ঘটনা ঘটল;

১। কম্পিউটার চালু হচ্ছে না।
২। ওজনদার গেম খেলার সময় কম্পিউটার রিস্টার্ট হচ্ছে।
৩। গ্রাফিক্স কার্ড এর জন্য আপনার কম্পিউটার এর পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোন কানেক্টর নেই।

আপনি অনেক দাম দিয়ে যে গ্রাফিক্স কার্ডটি কিনেছেন, তা চালাবার জন্য যে পরিমান শক্তির দরকার তা আপনার কম্পিউটার এর পাওয়ার সাপ্লাইয়ের নেই !!! এ জন্যই যখন আপনি নতুন কার্ড টী লাগিয়েছেন, আপনার কম্পিউটার এর অন্যান্য হার্ডওয়্যার গুলো ঠিক মতন পাওয়ার পাচ্ছে না। ফলাফল ? কম্পিউটার চালু হচ্ছে না অথবা, গেম খেলার সময় কম্পিউটার রিস্টার্ট হচ্ছে। আবার বর্তমান যুগের গ্রাফিক্স কার্ড গুলোর প্রায় বেশির ভাগ গুলোরই একটি বা দুটি করে ৬-পিন পাওয়ার কানেক্টর লাগে, (কয়েকটা আবার এক ধাপ এগিয়ে, তাদের লাগে ৮-পিন পাওয়ার কানেক্টর)। গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে দেখে নিন, আপনার কম্পিউটার এর পাওয়ার সাপ্লাই টি কি এই ধরনের গ্রাফিক্স কার্ড কে সাম্লাতে পারবে কি না। আর পাওয়ার কানেক্টর খুবই ইম্পরট্যান্ট, কিন্তু, এখনকার অনেক গ্রাফিক্স কার্ড এর সাথে সাধারনত এই ধরনের এডাপ্টার কেবল দিয়েই দেয়।

গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে গিয়ে যে ৫টি ভুল হয়ে থাকে তার সমাধান

* লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে, আপনার কম্পিউটার এর জন্য কি পরিমান পাওয়ার সাপ্লাই লাগবে তা আপনি খুব সহজেই ক্যালকুলেশন করে নিতে পারেন এখান থেকে
* পাওয়ার সাপ্লাই এর অনেক গুলো ব্র্যান্ড আছে, বিভিন্নটার বিভিন্ন রকম দাম। একটি ছোট্ট উদাহারন দেই, একটি পাওয়ার সাপ্লাই ৭০০ ওয়াট, যার দাম ৪,০০০ টাকা। আবার একটির দাম ১০,০০০ টাকা ... কি ঝামেলায় পড়েগেলেন ? দয়া করে যেনতেন ব্র্যান্ড এর পাওয়ার সাপ্লাই কিনবেন না। এতে করে আপনার কম্পিউটার এর সবগুলো হার্ডওয়্যার বিপদের মুখে পড়তে পারে।

ভুলঃ৪ সুপার ডুপার গ্রাফিক্স কার্ড, কিন্তু স্লো প্রসেসর এবং কম র‍্যামঃ
ঠিক আছে, আপনি কিনলেন, এনভিদিয়ার GTX 460, এক জিবি ডিডিআর ৫, অসাধারন এক গ্রাফিক্স কার্ড। কিন্তু একি … গেম গুলো তো আপনার আশানুরুপ ভাবে চলছে না… কাহিনী কি ? এত মারাত্মক গ্রাফিক্স কার্ড, আমার পাওয়ার সাপ্লাই ঠিক আছে, কিন্তু এই সমস্যা কেন !!!!
>>>ভাই, আপনার প্রসেসর টির মডেল কি ?
>>পেন্টিয়াম ৪ , ৩.২ গিগাহার্জ।
>>>তাহলে ঠিকই আছে।
>>আরে আপনি পাগল হলেন নাকি ? ৩.২ গিগাহার্জ কি মুখের কথা নাকি ? তাও আবার দুইটা কোর।
>>>না ভাই সবই ঠিক আছে, তবে, আপনার প্রসেসর এ বটল-নেক (Bottleneck) সমস্যা হচ্ছে। কি বুজতে পারছেন না ?

আচ্ছা একটি উদাহারন দেই, ধরুন একটি বোতল থেকে আপনি পানি ঢালছেন গ্লাসে, বোতলটি চউড়া, তবে এর মুখটি খুবই চিকন। কি হবে ? বোতলে পানির প্রেসার থাকলেও পানি কিন্তু আস্তেই বের হব। এখানে, আপনার বোতলটি গ্রাফিক্স কার্ড, বোতলের মুখ টি প্রসেসর এবং পানি কে ডাটা হসেবে বিবেচনা করুন। গ্রাফিক্স কার্ড তার অংশের কাজ করে প্রসেসর এর কাছে ডাটা পাঠিয়ে দিচ্ছে, কিন্তু প্রসেসর তা প্রসেস করে কুলিয়ে উঠতে পারছে না। ফলাফল ? আপনার গ্রাফিক্স কার্ড শক্তিশালি হওয়ার পরেও আপনি আশানরুপ ফলাফল পাচ্ছেন না।
সমাধান একটাই, চেষ্টা করুন, আপনার গ্রাফিক্স কার্ড এবং প্রসেসর এর ক্ষমতার মধ্যে ব্যাল্যান্স রাখার।
একই কথা কিন্তু আপনার কম্পিউটার এর র‍্যাম এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

ভুলঃ৫ মাত্র একজন মানুষের মতামত বিবেচনা করাঃ

এই একটি ভুল মনে হয় সবচাইতে বেশি করে থাকি আমরা। এবং এটাই সবচাইতে বড় ভুল। আমি আমার নিজেকে দিয়েই উদাহারন দেই;
আমি নিজে এনভিদিয়া এবং ইন্টেল এর এমন ভক্ত যে, আমি জানি, এএমডি’র প্রসেসর এর গ্রাফিক্স কার্ড গুলো খুবই ভালো মানের এবং তাদের সবচাইতে বড় দুটি গুল হচ্ছে, এগুলোর দাম কম এবং খুব কম পরিমানের পাওয়ার লাগে (এনভিদিয়ার তুলনায়)। কিন্তু আমি এগুলো জানবার পরেও ইন্টেল এবং এনভিদিয়া ছাড়া আমার কম্পিউটার হবে, তা কল্পনাও করতে পারি না। কেন ? জানি না … তবে আমি ইন্টেল এবং এনভিদিয়া ‘র হার্ডওয়্যার এর উপরে চরম ভাবে ভরসা করতে পারি। আর যাই হোক এরা আমাকে বিপদে ফেলবে না।

এখন, আমার কাছে যদি কেউ বলে যে, “ভাই আমি একটি গেমিং কম্পিউটার কিনতে চাই, প্লিজ আমাকে একটি কম খরচের মধ্যে একটি কনফিগারেশন করে দিন।” যেহেতু আমি ইন্টেল এবং এনভিদিয়ার ভক্ত, আমি যেই কনফিগারেশন করে দিব ইন্টেল এবং এনভিদিয়া দিয়ে, তার থেকে অনেক অনেক ভালো মানের কনফিগারেশন এমডি দিয়ে হয়তবা সম্ভব ছিল।

এর জন্য সবচাইতে ভালো সমাধান হচ্ছে, একজন মাত্র মানুষের মতামত কে প্রাধান্য না দিয়ে, কয়েক জনের কাছ থেকে মতামত নিন। শুনুন তারা কি বলেন। তাদের সাথে আপনার বর্তমান কম্পিউটার এর স্পেক শেয়ার করুন। আরো ভালো হয়, বিভিন্ন ফোরামে আপনার সমস্যার কথা তুলে ধরুন।

আরো ভালো হয়, আপনি যদি যে গ্রাফিক্স কার্ড টি কিনবেন বলে ঠিক করেছেন, তার রিভিউ টি পড়ে দেখেন। ইন্টারনেট এ বহু ওয়েব সাইট
আছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার এর রিভিউ দেয়া থাকে।

শেষ কথাঃ

আমার ধারনা, আমাদের দেশের এমন গেমার দের সংখা সবচাইতে বেশি, যাদের প্রতি ছয় মাস অন্তর বা এক বছর অন্তর অন্তর গ্রাফিক্স কার্ড পরিবর্তন করার সামর্থ নেই। তাই, একটি গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে সব দিক বিবেচনা করে যদি আপনি কিনতে পারেন, আর আপনার হার্ডওয়্যার যদি সাপোর্ট করে, তবে আমি এতটুকু নিশ্চয়তা দিয়ে পারি যে, কমপক্ষে দুই থেকে তিন বছর এর মধ্যে আপনাকে হয়তবা গ্রাফিক্স কার্ড আর পরিবর্তন করার কথা চিন্তা করতে হবে না।

ভালো থাকবেন। কেমন লাগলো আমার লিখাটি , আশা করব জানাতে ভুলবেন না…

15 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ