মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট চলছে…. (বিহাইন্ড দ্যা সীন)

5
250

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ীগণ রিচার্জ সার্ভিস বন্ধ রেখে ধর্মঘট অব্যাহত রাখছেন। দীর্ঘ দশ বছরেরও বেশী সময় ধরে একই ধরনের কমিশন কাঠামোর মাধ্যমে মোবাইল ব্যবসায়ীরা রিতিমত প্রতারিত হচ্ছেন মোবাইল অপারেটর দ্বারা। এছাড়া ভূল নাম্বারে রিচার্জের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ক্ষতিতো আছেই। অথচ এ দীর্ঘ সময়ের মধ্যে টাকার মূল্য কমেছে, দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েছে, জীবন যাত্রার ব্যয় বেড়েছে বহুগুনে কিন্তু এসকল ব্যবসায়ীদের কমিশন বাড়েনি এক ভাগও।  প্রতিনিয়ত দ্রব্যমূল্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির ঊর্ধগতির ধারাবাহিকতায় যখন এ সকল ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস উঠে তখন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরদের কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে কমিশন বাড়ানের কথা বলা হলে শুধুমাত্র উপেক্ষিত হতে কিছু। এ সকল কম্পানীরাই তাদের ব্যবসায়িক প্রসারে নাচানাচির বিভিন্ন বিজ্ঞাপন, টিভি অ্যাড, প্রিন্টেড অ্যাড, কনসার্ট, প্রভৃতি কর্মকান্ডে কোটি কোটি টাকার অপচয় (আমাদের দৃষ্টিতে) করছে অথচ এ সকল ব্যবসায়ীগণ যখন নূন্যতম চাহিদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সেদিকে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। আপনি হয়তো বলে উঠবেন এটা তাদের ব্যবসায়িক ষ্ট্রাটেজি। লক্ষ্য করলে হয়ত আপনাদের চোখ এড়াবে না, এসকল কম্পানীরাই সামাজিক উন্নয়নের কথা বলে বিভিন্ন ফান্ডে কিংবা বিভিন্ন কর্মকান্ডে স্পন্সর হওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে অথচ এসকল ব্যবসয়ীরা লসের ভাগ্য মেনে ব্যবসা গুটিয় নিতে বাধ্য হন এটা তাদের কর্মকান্ডের আওতায় পড়ে না।  মোবাইল অপারেটররা প্রায়ই ভুলে থাকেন যে এদের মাধ্যমেই তাদের রেভেনিউ অর্জিত হয়।  ভোক্তা এবং কম্পানীর মাঝে সেতুবন্ধনের গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে থাকেন এরাই।  বার্ষিক প্রফিটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয় এদের মাধ্যমেই।  প্রতিদানে মোবাইল অপারেটরগুলো দিচ্ছেন একই কমিশন দীর্ঘ দশ বছর ধরে।  আজ তাই এ সকল ব্যবসায়ীগন তাদের দাবীর ব্যপারে সচেষ্ট

মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট চলছে.... (বিহাইন্ড দ্যা সীন)

আমাদের দাবী সমূহ হচ্ছে –

১. মোবাইল রিচার্জের ক্ষেত্রে শতকরা দশ ভাগ কমিশন।

২. যত্রতত্র রিচার্জের সীম বিতরণ মাধ্যমে প্রকৃত বিক্রেতাদের ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্থকরণ বন্ধ করতে হবে।

৩. ভুল নাম্বারে প্রেরিত টাকা ফেরতের ব্যবস্থা।

৪. পাইকারী সেলার এর পরিবর্তে শুধুমাত্র প্রকৃত বিক্রেতার মাধ্যমে সীম বিক্রয়।

৫. সীম বিক্রয়ের কমিশন-এ সকল প্রকার শর্ত প্রয়োগ বাতিল করতে হবে।

৬. সীমের মেলার মাধ্যমে ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্থকরণ বন্ধ করতে হবে।

৭. রিচার্জ সিস্টেমের উন্নয়ন।

বিচ্ছিন্ন আন্দোলনটিকে সংঘবদ্ধ ও ফলপ্রসু করার লক্ষ্যে ফেসবুকে একটি পেইজ খোলা হয়েছে। ব্যবসায়ী বন্ধুগণ আসুন ঐক্যবদ্ধ হই এবং নিজেদের দায়ী আদায়ে সচেষ্ট হই।

ফেইজবুক পেইজ লিংক এইখানে

5 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ