ওয়েব ডিজাইনারদের ৫টি অপছন্দের বিষয়।আপনি কি একমত?

9
343
ওয়েব ডিজাইনারদের ৫টি অপছন্দের বিষয়।আপনি কি একমত?

mahfuz rahman akash

I am Professional Web Application Developer & forex trade master. I specialize in website services including website design and development, website optimization and website promotion, corporate branding, logo design, Internet Marketing, Search Engine Optimization (SEO), Graphics and Multimedia services including flash animations, Brochure Design and Newsletter Design. and I have a 5 years experience in web design and Search Engine Optimization (SEO) working, and I am also Expert in how to make money online,if you guys any problem in this subject please call me,my number is= 01948859345 , email= akashzaan@gmail.com
Thanks.........
ওয়েব ডিজাইনারদের ৫টি অপছন্দের বিষয়।আপনি কি একমত?

 

ক্রিয়েটিভ কাজ বলতেই নিজের মতো করে করা। কিন্তু ওয়েব ডিজাইনিং একদিকে যেমন নিজের ক্রিয়েটিভিটি ফুটিয়ে তোলা, আরেক দিকে ক্লাইন্টের কথার সম্মান দেখানো- আর এ দুটি জিনিস যখন একে অপরের বিরোধীতায় চলে যায় তখনই হয় বিপত্তি। এখানে আমি এরকম বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা করতে চাই। কয়েকদিন আগে আমার ছাত্র জীবনের গ্রাফিক্স ডিজানিং এ কি কি ঝামেলায় পড়তাম তার উপরে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। সেই লেখাটার সাথে অনেকক্ষেত্রে মিলে যায় বেপারগুলো। তবে সব সময় যে এরকম বেপারগুলো ঘটে তা কিন্তু নয়।

ওয়েব ডিজাইনারদের ৫টি অপছন্দের বিষয়।আপনি কি একমত?

অধিকাংশ সময়ই বেপারগুলো পজিটিভ হয়। এখানে শুধু বিরক্তকর বেপারগুরোই আলোচনায় আনা হলো।

১. আমি আসলে যতটা সম্ভব কম খরচের মধ্যে কাজটা করাতে চাই কিন্তু এই এই বিষয়গুলো আমার ওয়েবসাইটে থাকতে হবে : ডিজাইনারদের সবচেয়ে বড় সমস্যা এটা। প্রাথমিকভাবে কোন ডিজাইনের কাজে হাত দিতে হলে টাকার বেপারটাই প্রধান। ডিজাইনিং এবং রিকোয়ারমেন্টের সব আলোচনার সর্বশেষ আলোচনা হলো বাজেট। একটা সাইটের কাজ করতে ক্লাইন্টের একটা বাজেট থাকে। একজন ডিজাইনারেরও সময়ের মূল্য আছে। আর সেই বেপারটা নিয়ে প্রথম বনাবনি মিলে না। আমার চাহিদা এরকম অথচ বাজেট এরকম।

অন্যান্য কাজের চাপ বেশি থাকলে এরকম কাজ না নেওয়াই উচিৎ। টাকার বেপারটা সঠিকবাবে না মিললে কাজ করাটা কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া কোন প্রজেক্টের কাজের পরিমান কমে না। বরং বাড়তে থাকে। তাই প্রথমেই হিসেবটা কষে নেওয়া উত্তম।

আপনার কাজের চাপ না থাকলে নিজের একটা ঘন্টাপ্রতি খরচ হিসেব করে জানিয়ে দিতে পারেন যে আমার ঘন্টাপ্রতি শ্রম মূল্য XXX টাকা। তাই আপনার প্রজেক্টটা করতে আনুমানিক এত ঘন্টা সময় লাগতে পারে। আপনি চাইলে কাজটি আমাকে দিতে পারেন।

ক্লাইন্ট অনেক সময় এরকমও বলতে পারে যে, আমি অমুককে দিলে কাজটা ##### টাকায় করে দিতো কিন্তু আমি একজন প্রফেশনাল ডিজাইনার চাই। কিন্তু আপনার বাজেট অনেক বেশি…

 

২. আমি নিজেই অবশ্য সাইটের বেশ কিছু কাজ করতে পারতাম। আমি আপনাকে যেভাবে বলি সেভাবে করবেন : এ ধরেনর কথাটা মূলত তখনই আসে যখন ক্লাইন্ট মোটামুটি প্রোফেশনাল লোক। কম্পিউটার ও ওয়েব সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা রাখে কিন্তু ডিজাইন করার জন্য একজন প্রোফেশনাল প্রয়োজন, তাই নিজ হাতে কাজটা করবে না। এমন ও হতে পারে সে ডেক্সটপ এপ্লিকেশন বানাতে পারে কিন্তু ওয়েব এপ্লিকেশন বানাতে পারে না। এমন হতে পারে ফ্রন্ট সাইডের কাজ কিছু কিছু পারে কিন্তু সারভার সাইডের কাজগুলো পারে না। তাদের নিয়ে কাজ করতে অনেক সুবিধাজনক হবে তবে তাদেরও থাকে কম বাজেট। তাছাড়া তাদের নিয়ে রিকোয়্যারমেন্ট এনালাইসিসের কাজটি করতে সুবিধা হয়।

একটা বিষয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন তাহলো তারা কাজের চেয়ে এত বেশি কোয়েরী করে যে কাজটি নিয়ে হিমসিম খেতে হয়।

 

৩. ডিজাইনটা একেবারে সাদামাটা হয়ে গেল না? আরো ঝকঝকে ডিজাইন দরকার : রং সম্পর্কে যাদের ধারণা নাই তারা হয়তো আপনাকে এই রং পরিবর্তনের জন্য সাজেশন দিবে। তারা মনে করে অনেক বেশি রং চটা ডিজাইনই বুঝি সুন্দর হয়। কোন ব্যক্তির হয়তো “টিয়া” রং পছন্দ করে তাই তাই ব্যাকগ্রাউন্ডে টিয়া রং, ফন্ট লাল -ইত্যাদি করতে বললো। একটা জিনিস অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে যে, যে ডিজাইনটি আপনি করবেন সেটা সেটা শুধু তার সাইটই নয় সেটা আপনার একটা সম্পদ। এমন ডিজাইন করবেন না যেটা আপনার পোর্টফলিওতে প্রকাশ করতে সমস্যা হয়ে যায়। সব সময় সবার কথা রক্ষা করতে হবে তেমন কিন্তু না। তাকে অবশ্যই বুঝাতে হবে-যে ওয়েবসাইট ডিজাইনের রং পছন্দের বেপারে আরও অনেকগুলো বেপারে নিশ্চিত হতে হয়।

 

৪. আমার ওয়েবসাইটটি ঠিক এর মতো হবে এবং এই জিনিসগুলো অবশ্যই অতিরিক্ত থাকতে হবে : অনেক সময়ই কোন একটি সাইটের মতো ডিজাইন দেখিয়ে দিলে সহজেই বানানো যায় ক্লাইন্টের ওয়েব। কিন্তু অনেক সময় কোন একটি সাইটে আঙ্গুল দেখিয়ে আবার আরও কিছু কিছু জিনিসের উল্লেখ করা হয় যা করতে অনেক বেশি এলগরিদম আর কোডিং করতে হবে। আর তখনই কাজের হিসেবের সাথে খরচের হিসাবটা মিলে না।

 

৫. (ডিজাইন শেষ হওয়ার পরে) আমি এই জিনিসগুলো যুক্ত করতে চাইছি : ডিজাইনটি শেষ হওয়ায় উপক্রম হলে যখন কেউ তার সাইটের ডিজাইনের বেপারে নতুন কোন জিনিস সংযুক্ত করতে বলে তখন দেখা দেয় বিপত্তি। অনেক সময় রিকয়্যারমেন্ট এনালাইসিস এ একটি বিষয় না রাখলে সেটা পরে করতে হলে আনেক ঝামেলায় পড়তে হয়।

 

উপরের আলোচনা শুনে অনেকে মনে করতে পারেন – এটা অনেক ঝামেরার বেপার । আশার কথা হরো ক্লাইন্টদের কাছ থেকে অনেক নতুন নতুন আইডিয়া নেওয়া যায়। এবং আধিকাংশই চায় সহজে কাজটি উদ্ধার হয়ে যাক। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, এই কামনায় আজকের মতো শেষ করছি।

 

9 মন্তব্য

  1. আমিও ওয়েব ডিজাইনিং শিখছি, তবে ফ্রিল্যান্সিং করার ইচ্ছা নেই।

    আমার বিরক্ত লাগে যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে IE 6 এর সাপোর্টের জন্য হিমসিম খেতে হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ