আইসেন বাহে পানি দিয়া বিদ্যুৎ উৎপন্ন করি

8
1142
আইসেন বাহে পানি দিয়া বিদ্যুৎ উৎপন্ন করি

Ezaj Ahmed

আমি হাটিতেছি দূরগম পথে
খুজিতেছি ঠঁাই ,
আসিলাম ঘুরিতে ঘুরিতে
প্রযুকতি দুনিয়ায় ।
আইসেন বাহে পানি দিয়া বিদ্যুৎ উৎপন্ন করি

পানি শক্তির একটি অন্যতম উৎস। পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে কাজে লাগিয়ে শক্তি উৎপাদন করা যায়। পানির স্রোত বা জোয়ার-ভাটা ব্যবহার করে যে বিদ্যুৎশক্তি উৎপন্ন হয় তাকে পানি বিদ্যুৎ বা জলবিদ্যুৎ বলে। জলবিদ্যুৎ তৈরি করার জন্য সাধারণ শক্তিকে কাজে লাগানো হয়। যে কোনো স্রোতের স্থানে পানিকে বাঁধ দিয়ে আটকালে এর উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বা এর গভীরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এর মধ্যে অধিক পরিমাণ শক্তি বিভব শক্তি হিসেবে জমা হয়। এর জন্য সাধারণত কোনো পাহাড়ের উপত্যকায় নিচের দিকে বাঁধ দিয়ে এটি করা হয়। নদী থেকে আসা পানি বাঁধে বাধা পেয়ে জমা হতে থাকে। এতে বাঁধের পেছনে কৃত্রিম হ্রদের মতো তৈরি হয়। হ্রদ পানিতে পূর্ণ হয়ে গেলে পানি একটি মোটা নল দিয়ে নিচে অবস্থিত কোনো তড়িৎ উৎপাদন কেন্দ্রে ফেলা হয়। পানি পতনের সময় এর বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই তড়িৎ শক্তি একটি টার্বাইনকে ঘোরায়। টার্বাইন হলো অসংখ্য ব্লেডযুক্ত চাকা। টার্বাইনের সঙ্গে আবার একটি জেনারেটর লাগানো থাকে। টার্বাইন ঘোরার ফলে জেনারেটরে তড়িৎ উৎপন্ন হয়। এরপর উৎপন্ন বিদ্যুৎ নানা স্থানে তারের মাধ্যমে পাঠানো হয়। ১৮৮২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সর্বপ্রথম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে। বর্তমানে উৎপন্ন মোট বিদ্যুতের শতকরা প্রায় ২৪ ভাগই জলবিদ্যুৎ।

আসুন ছবির মাধ্যমে জেনে নেই কিভাবে জলবিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয় পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে।

প্রথমেই দেখে নেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র Three Gorges Dam

সামনে থেকে:

পাশ থেকে :

উপর থেকে:

যে রকম পরিবেশ দরকার: নদীর দুই পার্শ্বে উচু-উচু পাহাড়।

দুই পার্শ্বের পাহাড়ের উচ্চতা যত বেশি হবে সেই নদীর জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সামর্থ তত বেশি হইবেক। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যে সেখাকার ভূমিরূপের, অর্থাৎ কি রকম মাটি/পাথর দ্বারা গঠিত ঐ সকল পাহাড় ও নদীর তলভাগ।

অনেকসময় নদীর দুই পার্শ্বে থাকে আগে থেকে গড়ে উঠা মানব বসতি ও বানিজ্যিক এলাকা থাকে যেগুলো জলাধারের উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে পানির নিচে চলে যায় বা স্হানান্তরিত করতে হয়।

আসেন ১খান জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাই না আমাদের ৬০ মেগাওয়াট এর কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র না বানামু যখন, তখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র Three Gorges Dam ই বানাই

চলেন দেহি সিভিল ইন্জিনিয়ার মামারা কেমনে সাইট ডিজাইন করে জাইনা নেই:

আসেন এইবার দেহি ম্যাকানিকাল ও ইলেকট্রিকাল ইন্জিনিয়ার মামারা কেমতে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার যন্ত্রর-মন্ত্ররগুলা (টারবাইন ও জেনারেটর)বসায়

ম্যাকানিকাল ও ইলেকট্রিকাল মামা, যন্ত্রর-মন্ত্ররগুলার নাট-বল্টুগুলা যে একবার দেখবার মুন্চায়
আগে ইলেকট্রিকাল মামারা যন্ত্রর-মন্ত্ররগুলার একখান ডিজাইন বানাইয়া দিল ফ্যারাডে মামুর সুত্র:

(ইলেকট্রিক তারের প্যাজকির মধ্য দিয়া চুম্বক দৌড়া-দৌড়ি করিলে তারের মধ্য দিয়া বিদ্যুৎ প্রবাহিত হইবেক) ব্যবহার কইরা ম্যাকানিকাল মামাদের।আরো জানবার চান ফ্যারাডে মামুর সুত্র কেমতে কাজ করে এইহেনে গুতা মারেন।

এইবার ম্যাকানিকাল মামারা জব্বর একখান জিনিস বানাইল ।

এইবার আমার লগে আহেন দেহি সিভিল, ম্যাকানিকাল ও ইলেকট্রিকাল মামারা ৩ জনে মিলা কি বানাইল দেখবার যাই

মামারা, সবইতো করলা এইবার দেহাও দেহি কেমতে কি করো ঐ যন্ত্রর খানা দিয়া

মামুর বেটা অহনো বুঝবার পারেন নাই বাহে কান্না-কাটি কইরেন না

পানিগুলান উপরের ছবিতে যত নিরীহ ভাবে বের হইতাছে দেখতাছেন আসলেই কি তত নিরীহ ভাবে বের হচ্ছে???

এই হল গিয়া একটা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের হাড়ির খবর।

8 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ