‘ছোট লেখকদের সুযোগ দিন’

15
478
'ছোট লেখকদের সুযোগ দিন'

অভিজিত দেবনাথ

নিজেরে সর্বোত্তম ভাবি না , তয় আমার রাজ্যের রাজকুমার তো আমিই তাই আমি যেখানে জয়ী সেখানেই যুদ্ধ শেষ , যতক্ষণ জয় আমার না ততক্ষণ যুদ্ধ চলবে ।
'ছোট লেখকদের সুযোগ দিন'

আমরা সবাই কোন না কোন লেখকের বই পরেছি সবাই বড় বড় লেখক কিন্তু আমাদের কি উচিত না, ছোট লেখদের বই পরা ও তাদের উৎসাহ দেউয়া । যদি টা না হয় এক সময় কোন জীবিত লেখকই থাকবে না সবাই থাকবে ইতিহাশের পাতায় {হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা}

নিচের গল্পটি একটু পড়ুন>>>>>>>>>>>>>

মৃ(ভাল নাম মৃন্ময়ী) ঠিক করে ফেলল। আজ সে বলেই ফেলবে। এই অপেক্ষা তার আর সহ্য হচ্ছে না। আর কতদিন এভাবে মুখ বুজে থাকা যায়? গাধাটা কি কিছুই বোঝে না,নাকি বুঝেও না বোঝার ভান করে। কে জানে! সে মনে করার চেষ্টা করল ওর সাথে প্রথম যেদিন দেখা হয়েছিল সেদিনকার কথা। গাধাটা তার দিকে তাকিয়ে কেমন করে যেন হাসছিল। সে তেমন পাত্তা দেয় নি। পরে আর কোচিং এ দেখা হয়নি ওর সাথে। এরপর ভার্সির্টিতে ভর্তি হয়ে প্রথম ক্লাশে গিয়ে আবার দেখল ছেলেটাকে। ঠিক সেদিনের মতই তার দিকে তাকিয়ে হাসছে। সেদিনই প্রথম ঠিকমত দেখেছিল ওকে; উষ্কখুষ্ক চুল লম্বামত ছেলেটা। তারপর থেকে প্রতিদিন তার দিকে তাকিয়ে থাকত গাধাটা। একদিন তো সে খুব করে বকে দিল ওকে। কিন্তু তাতে ওর কিছু হল বলে মনে হল না। এরপর কিভাবে পরিচয়, বন্ধুত্ব, কাছে আসা, ঘনিষ্ঠতা, ভালোলাগা…. এসব হয়ে গেল কিছুই সে মনে করতে পারে না। গাধাটাকে অনেক ভালবাসে সে কিন্তু গাধাটা যে কেন কিছু বোঝে না? আজ সে….. ফোনটা বেজে উঠল। গাধাটা ফোন করেছে

-মহারাণীর মিসকল দেখলাম ফোনে। তাই তাড়াতাড়ি কলব্যাক করলাম

-তখন ফোন ধরলি না কেন?

-জানতাম তুই এইকথাই বলবি। একটু বাইরে গেছিলাম একটা কাজ এ….. ফোনটা
ভুল করে বাসায় ফেলে গেছিলাম। বুঝলি রে?

-থাক আর মিথ্যা কথা বলতে হবে না

-আমি মোটেই মিথ্যা বলছি না

-যাই হোক রউনক শোন, তোর সাথে একটু দেখা করব। আজ বিকেলে কেএফসিতে আসতে পারবি?

-মহারাণীর আদেশ আমার কি ক্ষমতা যে তাকে নিষেধ করি!! খাওয়াবি নাকি রে?

-হু। ঠিক সময়ে চলে আসিস কিন্তু দেরি করবি না

-ঠিক আছে বাবা

মৃ অনেকক্ষণ ধরে খুব সুন্দর করে সাজল। সে পরেছে একটা হালকা নীল রঙের শাড়ি। এই রঙটা রউনকের খুব পছন্দের। এর সাথে একই রঙয়ের চুড়ি আর টিপ। নিজেকে আয়নায় দেখে তার মনে হল, সে তো দেখতে খুব একটা খারাপ না!! ;-)

মৃ আধঘন্টা ধরে কেএফসিতে বসে আছে। গাধাটা এখনও আসেনি। ও সবসময়ই এমন দেরি করবেই। এটা জানার পরও তার মনে হল ও হয়ত বুঝে গেছে সে কি বলতে চায়। হয়ত ওর জন্য ফুল কিনতে গিয়ে দেরি হচ্ছে….
এমন সময় হন্তদন্ত হয়ে অমি ঢুকল …… খালি হাতেই

-একটু দেরি করে ফেললাম রে

-এ আর নতুন কি? সব সময়ই তো করিস

-রাগ করেছিস মনে হচ্ছে?? এসেছিস কখন?

-এসেছি অনেকক্ষন আর আমি রাগ করি বা না করি তাতে তোর কি??

-তুই কি জানিস যে তোকে এত সুন্দর লাগছে যে মনে হচ্ছে স্বর্গ থেকে একটা নীল পরী এসে সামনে বসে আছে। আর তুই রেগে আছিস বলে তোর গালে একটা লালচে আভা ছড়িয়ে আছে যাতে তোকে দারুণ মানিয়েছে….

-আর চাপা মারতে হবে না। পরী না ছাই!!

-আমি মোটেও চাপা মারছি না। আর কিজন্য ডেকেছিস তা বল

-এত কিছু বুঝিস আর এটা বুঝিস না?

-কি বুঝব?

-কেন এমন করিস? তুই কেন বুঝিস না যে যে…. আমি তোকে…..

-আমি…আমি….ও ও…আমি ও….

-থাক আর কিছু বলতে হবে না। আমি সব বুঝে নিয়েছি….
এই বলে মৃ ছুটে বেরিয়ে গেল। সে যে কাদছে তা বুঝতে রউনকের একটুও কষ্ট হল না।

মৃ বাসায় পৌঁছিয়ে ঘড়ি দেখার জন্য ফোনটা বের করে দেখল একটা এসএমএস, রউনকের ওতে লেখা, “পাগলীরে, তুই কি আমায় ‘আমি তোকে ভালবাসি’ বলতে দিবি না??”
তখন তার মুখের হাসি আর চোখের পানি মিশে যে অপার্থিব দৃশ্য সৃষ্টি হল তার ঊত্‍পত্তি এই জগতে নয়; অন্য কোন জগতে।

৫ বছর পরে….…………………………………>>>>>>>>>>>>>

(বাকিটা পরতে ডাউনলোড করুন)
'ছোট লেখকদের সুযোগ দিন'

 

 

 

 

 

কোন ভুল ত্রুটি হলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আর পোস্ট ভাল লাগলে কমেন্ট করতে ভুল্বেন না যেন । আর আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন 

15 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ