পেশা হিসেবে ভিডিও এডিটিং মন্দনা

15
617

চিত্রগ্রাহকদের ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ কাটছাঁট করে দৃশ্যের পর দৃশ্য সাজিয়ে দর্শকদের দেখার উপযোগী করে তোলাই ভিডিও এডিটরদের কাজ। আমাদের দেশেও এই কাজের ক্ষেত্র দিনদিন বেড়েই চলেছে। কাজের ক্ষেত্র: টিভি চ্যানেলে কাজ এখন সবচেয়ে আকর্ষণীয়। দেশে এখন ২০-এর অধিক সরকারি ও বেসরকারি টিভি চ্যানেল রয়েছে। দেশের সবগুলো টিভি চ্যানেলেই দক্ষ এডিটরদের কাজের সুযোগ রয়েছে। প্রতিদিন টিভি চ্যানেলগুলোতে সংবাদের পাশাপাশি অসংখ্য অনুষ্ঠান, নাটক, ম্যাগাজিন প্রচারিত হয়। এসব অনুষ্ঠান টিভি চ্যানেল ছাড়াও বিভিন্ন প্রযোজনা সংস্থাও নির্মাণ করে থাকে। এছাড়া টেলিভিশনে প্রচারিত বিজ্ঞাপনসমূহ নির্মাণ করে থাকে বিভিন্ন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। ফুলটাইম এবং পার্টটাইম দু’ভাবেই ভিডিও এডিটর হিসেবে কাজ করা যায়। কেউ চাইলে অন্য চাকরির পাশাপাশি ফ্রিল্যান্স কাজ করতে পারেন ভিডিও এডিটর হিসেবে।

দক্ষ ভিডিও এডিটররা উচ্চ বেতনে চলে যাচ্ছেন টিভি চ্যানেলগুলোতে। ফলে বেসরকারিভাবে যে অনুষ্ঠান নির্মাণের কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, সেখানে পদ খালি হচ্ছে। এ জন্য এডিটিং জানা ছেলেমেয়েরা খুব সহজেই এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে। যোগ্যতা: নূন্যতম এইচএসসি পাস হলে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ নিয়ে ভিডিও এডিটর হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া যায়। এ পেশায় সৃজনশীলতা থাকা খুবই জরুরি। টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্পর্কেও স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে কী ধরনের বৈচিত্রআনা সম্ভব, সেই বিবেচনা শক্তি থাকা চাই। একজন ভিডিও এডিটরকে চোখ রাখতে হয় দেশ-বিদেশের টিভি পর্দায়।

আয়: এ পেশায় বেতন কাঠামোও বেশ ভালো। কাজের দক্ষতার উপর বেতনের অংক নির্ভর করে থাকে। দেশে-বিদেশে যেখানেই কাজ করুন না কেন, সবার আগে দরকার এ বিষয়ে সঠিক প্রশিক্ষণ। ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শিখে ছেলেমেয়েরা দেশেই ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি জুটিয়ে নিতে পারবেন অবলীলায়। কাজের দক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে বেতনও বাড়তে থাকে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো একজন ভালোমানের ভিডিএ এডিটরকে সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৫০হাজার পর্যন্ত বেতন দিয়ে থাকে। এর বাইরেও অবসরে অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

>> পূর্বে এখানে প্রকাশিত

15 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ