ইউরো ২০১২ নিয়ে একটি মেগা পোস্ট খেলাপাগলদের জন্য

6
371

বিশ্বের দ্বিতীয় মর্যাদাপূর্ণ ফুটবল আসর ইউরোপিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। প্রতি চার বছর অন্তর ইউরোপিয়ান অঞ্চলের ফুটবল খেলুড়ে দেশ সমূহকে নিয়ে এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এবারের আসরের ইউরোর গর্বীত আয়োজক দেশ হিসেবে ইউক্রেন ও পোল্যান্ড সরাসরি অংশ নিলেও ইউরোপের অন্য ১৪ টি দেশ বাছাই পর্ব উতরিয়ে ইউরোতে নিজেদের স্থান করে নেয়। অংশগ্রহণকারী ১৬টি দেশকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রুপ – এ ও গ্রুপ – সি এর ম্যাচগুলো পোল্যান্ডে এবং গ্রুপ – বি ও গ্রুপ – ডি এর ম্যাচগুলো ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত হবে। পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের ৮টি শহরে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে পোল্যান্ডের ভেন্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে – ওয়ারশ, পোজান, ভ্রসলাভ ও গদানস্ক আর ইউক্রেনের চার আয়োজক শহর হলো কিয়েভ, দোনেৎস্ক, লভোভ, খারকভ। বাংলাদেশের বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙ্গা টেলিভিশন ইউরোর সবগুলো ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে।ইউরো ২০১২ নিয়ে একটি মেগা পোস্ট খেলাপাগলদের জন্যগ্রুপভিত্তিক অংশগ্রহণকারী দলের তালিকা

গ্রুপ – এ

গ্রুপ – বি

গ্রুপ – সি

গ্রুপ – ডি

চেক রিপাবলিক

ডেনমার্ক

ক্রোয়োশিয়া

ইংল্যান্ড

গ্রীস

জার্মানী

আয়ারল্যান্ড

ফ্রান্স

রাশিয়া

নেদারল্যান্ডস

স্পেন

সুইডেন

পোল্যান্ড

পর্তুগাল

ইতালি

ইউক্রেন

 

পয়েন্ট টেবিল

গ্রুপ – এ • গ্রুপ বি • গ্রুপ সি • গ্রুপ ডি

গ্রুপ – এ

দেশের নাম

খেলা

জয়

ড্র

পরাজয়

পয়েন্ট

চেক রিপাবলিক

গ্রীস

রাশিয়া

পোল্যান্ড

 

গ্রুপ – বি

দেশের নাম

খেলা

জয়

ড্র

পরাজয়

পয়েন্ট

ডেনমার্ক

জার্মানী

নেদারল্যান্ডস

পর্তুগাল

 

গ্রুপ সি

দেশের নাম

খেলা

জয়

ড্র

পরাজয়

পয়েন্ট

ক্রোয়েশিয়া

আয়ারল্যান্ড

স্পেন

ইতালি

 

গ্রুপ ডি

দেশের নাম

খেলা

জয়

ড্র

পরাজয়

পয়েন্ট

ইংল্যান্ড

ফ্রান্স

সুইডেন

ইউক্রেন

 

ফিক্সচার ও ফলাফল

তারিখ

ম্যাচ নং

দলের নাম

সময়

ফলাফল

৮/৬/২০১২

(গ্রুপ – এ)

ম্যাচ নং – ১

পোল্যান্ড বনাম গ্রীস

রাত ১০:০০

১ : ১

ম্যাচ নং – ২

রাশিয়া বনাম চেক রিপাবলিক

রাত ১২:৪৫

৪ : ১

৯/৬/২০১২

(গ্রুপ – বি)

ম্যাচ নং – ৩

নেদারল্যান্ড বনাম ডেনমার্ক

রাত ১০:০০

০ : ১

ম্যাচ নং – ৪

জার্মানী বনাম পর্তুগাল

রাত ১২:৪৫

১ : ০

১০/৬/২০১২

(গ্রুপ – সি)

ম্যাচ নং – ৫

স্পেন বনাম ইতালি

রাত ১০:০০

১ : ১

ম্যাচ নং – ৬

আয়ারল্যান্ড বনাম ক্রোয়োশিয়া

রাত ১২:৪৫

১ : ৩

১১/৬/২০১২

(গ্রুপ – ডি)

ম্যাচ নং – ৭

ফ্রান্স বনাম ইংল্যান্ড

রাত ১০:০০

১ : ১

ম্যাচ নং – ৮

ইউক্রেন বনাম সুইডেন

রাত ১২:৪৫

৩ : ১

১২/৬/২০১২

(গ্রুপ – এ)

ম্যাচ নং – ৯

গ্রীস বনাম চেক রিপাবলিক

রাত ১০:০০

১ : ২

ম্যাচ নং – ১০

পোল্যান্ড বনাম রাশিয়া

রাত ১২:৪৫

১ : ১

১৩/৬/২০১২

(গ্রুপ – বি)

ম্যাচ নং – ১১

ডেনমার্ক বনাম পর্তুগাল

রাত ১০:০০

২ : ৩

ম্যাচ নং – ১২

নেদারল্যান্ড বনাম জার্মানী

রাত ১২:৪৫

১ : ২

১৪/৬/২০১২

(গ্রুপ – সি)

ম্যাচ নং – ১৩

ইতালি বনাম ক্রোয়েশিয়া

রাত ১০:০০

ম্যাচ নং – ১৪

স্পেন বনাম আয়ারল্যান্ড

রাত ১২:৪৫

১৫/৬/২০১২

(গ্রুপ – ডি)

ম্যাচ নং – ১৫

সুইডেন বনাম ইংল্যান্ড

রাত ১০:০০

ম্যাচ নং – ১৬

ইউক্রেন বনাম ফ্রান্স

রাত ১২:৪৫

১৬/৬/২০১২

(গ্রুপ – এ)

ম্যাচ নং – ১৭

গ্রীস বনাম রাশিয়া

রাত ১২:৪৫

ম্যাচ নং – ১৮

চেক রিপাবলিক বনাম পোল্যান্ড

রাত ১২:৪৫

১৭/৬/২০১২

(গ্রুপ – বি)

ম্যাচ নং – ১৯

পর্তুগাল বনাম নেদারল্যান্ডস

রাত ১২:৪৫

ম্যাচ নং – ২০

ডেনমার্ক বনাম জার্মানী

রাত ১২:৪৫

১৮/৬/২০১২

(গ্রুপ – সি)

ম্যাচ নং – ২১

ক্রোয়েশিয়া বনাম স্পেন

রাত ১২:৪৫

ম্যাচ নং – ২২

ইতালি বনাম আয়ারল্যান্ড

রাত ১২:৪৫

১৯/৬/২০১২

(গ্রুপ – ডি)

ম্যাচ নং – ২৩

সুইডেন বনাম ফ্রান্স

রাত ১২:৪৫

ম্যাচ নং – ২৪

ইংল্যান্ড বনাম ইউক্রেন

রাত ১২:৪৫

২০/৬/২০১২

কোনো ম্যাচ নেই

২১/৬/২০১২

ম্যাচ নং – ২৫

কোয়ার্টার ফাইনাল – ১

গ্রুপ এ চ্যাম্পিয়ন বনাম গ্রুপ বি রানার আপ

রাত ১২:৪৫

২২/৬/২০১২

ম্যাচ নং – ২৬

কোয়ার্টার ফাইনাল – ২

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বি বনাম গ্রুপ রানার আপ এ

রাত ১২:৪৫

২৩/৬/২০১

ম্যাচ নং – ২৭

কোয়ার্টার ফাইনাল – ৩

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সি বনাম গ্রুপ রানার আপ ডি

রাত ১২:৪৬

২৪/৬/২০১২

ম্যাচ নং – ২৮

কোয়ার্টার ফাইনাল – ৪

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ডি বনাম গ্রুপ রানার আপ সি

রাত ১২:৪৫

২৫/৬/২০১২

কোনো ম্যাচ নেই

২৫/৬/২০১২

২৭/৬/২০১

ম্যাচ নং – ২৯

সেমিফাইনাল – ১

কো:ফা:-১ বিজয়ী বনাম কো:ফা:-৩ বিজয়ী

রাত ১২:৪৫

২৮/৬/২০১২

ম্যাচ নং – ৩০

সেমিফাইনাল – ২

কো:ফা:-২ বিজয়ী বনাম কো:ফা:-৪ বিজয়ী

রাত ১২:৪৫

২৯/৬/২০১২

কোনো ম্যাচ নেই

৩০/৬/২০১২

১/৭/২০১২

ম্যাচ নং – ৩১

ফাইনাল

সেমি ফা.–১ বিজয়ী বনাম সেমি ফা.–২ বিজয়ী

রাত ১২:৪৫

 

দলভিত্তিক ইউরোর রেকর্ডসমূহ

ইউরো – র পূর্ববর্তী চ্যাম্পিয়ন দেশসমূহ

সাল

চ্যাম্পিয়ন দেশ

স্বাগতিক/আয়োজক দেশ

২০০৮ স্পেন অস্ট্রিয়া/সুইজারল্যান্ড
২০০৪ গ্রীস পর্তুগাল
২০০২ ফ্রান্স বেলজিয়াম/নেদারল্যান্ডস
১৯৯৬ জার্মানী ইংল্যান্ড
১৯৯২ ডেনমার্ক সুইডেন
১৯৮৮ নেদারল্যান্ডস পশ্চিম জার্মানী
১৯৮৪ ফ্রান্স ফ্রান্স
১৯৮০ পশ্চিম জার্মানী ইতালি
১৯৭৬ চেকোস্লাভিকিয়া ইয়োগোস্লাভিয়া
১৯৭২ পশ্চিম জার্মানী বেলজিয়াম
১৯৬৮ ইতালি ইতালি
১৯৬৪ স্পেন স্পেন
১৯৬০ ইউ.এস.এস.আর ফ্রান্স

সর্বোচ্চ সংখ্যক ম্যাচে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়গণ

ম্যাচ সংখ্যা

খেলোয়াড়ের নাম

দেশ

মৌসুম

১৬ এডউইন ভ্যান ডার সার নেদারল্যান্ডস ১৯৯৬-২০০৮
১৬ লিলিয়ান থুরাম ফ্রান্স ১৯৯৬-২০০৮
১৪ লুইস ফিগো ফ্রান্স ১৯৯৬-২০০৪
১৪ নুনো গোমেজ পর্তুগাল ২০০০-২০০৮
১৪ কারেল পবোরাস্কি চেক রিপাবলিক ১৯৯৬-২০০০
১৪ জিনেদিন জিদান ফ্রান্স ১৯৯৬-২০০৪

 

সর্বোচ্চ গোলকারী খেলোয়াড়গণ

গোল সংখ্যা

খেলোয়াড়ের নাম

দেশ

মৌসুম

মিচেল প্লাতিনি ফ্রান্স ১৯৮৪
এলান সিয়েরার ইংল্যান্ড ১৯৯২-২০০০
নুনো গোমেজ পর্তুগাল ২০০০-২০০৮
থিয়েরি হেনরি ফ্রান্স ২০০০-২০০৮
প্যাট্রিক কালিভার্ট নেদারল্যান্ডস ১৯৯৬-২০০০
রড ভ্যান নিস্টলরয় নেদারল্যান্ডস ২০০৪-২০০৮

 

সর্বোচ্চ সংখ্যক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়গণ

টুর্নামেন্ট সংখ্যা

খেলোয়াড়ের নাম

দেশ

মৌসুম

লোথার ম্যাথিয়াস জার্মানী ১৯৮০-২০০০
পিটার সেমিকেল ডেনমার্ক ১৯৮৮-২০০০
এ্যারন উইন্টার নেদারল্যান্ডস ১৯৮৮-২০০০
আলেসান্দ্রো ডের পিয়েরো ইতালি ১৯৯৬-২০০৮
এডউইন ভেন ডার সার নেদারল্যান্ডস ১৯৯৬-২০০৮
লিলিয়ান থুরাম ফ্রান্স ১৯৯৬-২০০৮

 

সবচেয়ে কম সময়ে গোলকারী খেলোয়াড়গণ

সময়

খেলোয়াড়ের নাম

দেশ

প্রতিপক্ষ

১ মি. ৭ সে. ডিমার্টি ক্রিচেনকো রাশিয়া গ্রীস, ২০০৪
২ মি. ৮ সে. সার্জেই অ্যালেকুভো সোভিয়েত ইউনিয়ন ইংল্যান্ড, ১৯৮৮
২ মি. ১২ সে. এ্যালান সিয়েরার ইংল্যান্ড জার্মানী, ১৯৯৬

 

সর্বোচ্চ সংখ্যক ফাইনালে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়গণ

ফাইনালস (চ্যাম্পিয়ন)

খেলোয়াড়ের নাম

দেশ

মৌসুম

৩ (২) রেইনার বনহফ পশ্চিম জার্মানী ১৯৭২-১৯৮০
১৪ জন খেলোয়ার

প্রযোজ্য নয়

 

ইউরো-তে অংশগ্রহণকারী সবচেয়ে কম বয়সী/বেশি বয়সী খেলোয়াড়ের তালিকা

রেকর্ড

বয়স

খেলোয়াড়ের নাম

দেশ

প্রতিপক্ষ

সবচেয়ে কম বয়সে অংশগ্রহণ ১৪ বছর ১১৫ দিন ইনজো স্কাইফো বেলজিয়াম ইয়োগোস্লাভিয়া, ১৯৮৪
সবচেয়ে বেশি বয়সে অংশগ্রহণ ৩৯ বছর ১৯ দিন লুথার ম্যাথিয়াস জার্মানী পর্তুগাল, ২০০০
সবচেয়ে কম বয়সে গোলকারী ১৮ বছর ১৪১ দিন জোহান ভনলান্থেন সুইজারল্যান্ড ফ্রান্স, ২০০৪
সবচেয়ে বেশি বয়সে গোলকারী ৩৪ বছর ২১৩ দিন নেনে পর্তুগাল রোমানিয়া, ১৯৮৪

 

দলভিত্তিক ইউরোর রেকর্ডসমূহ

সর্বোচ্চ সংখ্যক টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ

সংখ্যা

চ্যাম্পিয়ন/বিজয়ী

দেশের নাম

মৌসুম

১০ জার্মানী ১৯৭২-২০০৮
স্পেন ১৯৬৪-২০০৮
নেদারল্যান্ডস ১৯৭৬-২০০৮
ডেনমার্ক, ইতালি ১৯৬৪-২০০৮
ইংল্যান্ড ১৯৬৮-২০০৪

 

সর্বোচ্চ সংখ্যকবার ফাইনালে অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ

ফাইনাল (চ্যাম্পিয়ন)

দেশের নাম

মৌসুম

৬ (৩ – ১৯৭২, ১৯৮০, ১৯৯৬) জার্মানী ১৯৭২, ১৯৭৬, ১৯৮০, ১৯৯২, ১৯৯৬, ২০০৮
৪ (১ – ১৯৬০) সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৬০, ১৯৬৪, ১৯৭২, ১৯৮৮
৩ (২ – ১৯৬৪, ২০০৮) স্পেন ১৯৬৪, ১৯৮৪, ২০০৮
বেশ কিছু দেশ প্রযোজ্য নয়

 

সর্বোচ্চ সংখ্যক ম্যাচে অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ

ম্যাচ সংখ্যা

জয়

দেশের নাম

মৌসুম

৩৮ ১৯ জার্মানী ১৯৭২-২০০৮
৩২ ১৭ নেদারল্যান্ডস ১৯৭৬-২০০৮
৩০ ১৩ স্পেন ১৯৬৪-২০০৮
২৮ ১৪ ফ্রান্স ১৯৬০-২০০৮
২৭ ১১ ইতালি ১৯৬৮-২০০৮
২৪ ডেনমার্ক ১৯৬৪-২০০৪

 

সর্বোচ্চ গোলদানকারী দলসমূহ

গোল সংখ্যা

গোল ব্যবধান

দেশের নাম

মৌসুম

৫৫ +২৩ নেদারল্যান্ডস ১৯৭৬-২০০৮
৫৫ +১৬ জার্মানী ১৯৭২-২০০৮
৪৬ +১২ ফ্রান্স ১৯৬০-২০০৮
৩৮ +৭ স্পেন ১৯৬৪-২০০৮
৩৪ +১২ পর্তুগাল ১৯৮৪-২০০৮
৩১ +৩ ইংল্যান্ড ১৯৬৮-২০০৪

 

দুই লেগ মিলিয়ে সর্বোচ্চ সমষ্টিগত ফলাফল

গোল সংখ্যা

ম্যাচ

সর্বোচ্চ গোলকারী

ফ্রান্স ৪ – ৫ ইয়োগোস্লাভিয়া, ১৯৬০ এসএফ হিউট্টে (২, ফ্রান্স), জার্কোভিক (২, ইয়োগোস্লাভিয়া)
ইয়োগোস্লাভিয়া ৩ – ৪ স্পেন, ২০০০ জিএস  
নেদারল্যান্ডস ৬ – ইয়োগোস্লাভিয়া, ২০০০ কিউএফ কালিভার্ট (৩, নেদারল্যান্ডস)
৪ ম্যাচ

 

দলভিত্তিক খেলোয়াড়ের তালিকা

 

স্পেন

কোচ: ভিসেন্তে ডেল বস্ক
রেকর্ড: নবম অংশগ্রহণ
সাফল্য: ২ বার চ্যাম্পিয়ন- (১৯৬৪, ২০০৮)
ফিফা র‍্যাংকিং: ১
গোলরক্ষক: ১.ইকার ক্যাসিয়াস (অধিনায়ক); ১২.ভিক্টর ভালদেস; ২৩.পেপে রেইনা

ডিফেন্ডার: ২.রাউল এলবিওল; ৩.জেরার্ড পিকে; ৫.জুয়ারফ্র্যান; ১৫.সার্জিও র‌্যামোস; ১৭.অ্যালভারো আরবিলোয়া; ১৮.জর্ডি আলবা

মিডফিল্ডার: ৪.জাভি মার্টিনেজ; ৬.আন্দ্রে ইনিয়েস্তা; ৮.জাভি; ১০.স্যাস ফ্যাব্রিগাস; ১৩.জুয়ান মাতা; ১৪.জাভি অ্যালেনসো; ১৬.সার্জিও বাসকুয়েটস; ২০.সান্টি ক্যাজোরলা; ২১.ডেভিড সিলভা; ২২.জেসুস নাভাস

ফরোয়ার্ড: ৭.পেড্রো; ৯.ফার্নান্ডো টোরেস; ১১.অ্যালভারো নেগ্রেডো; ১৯.ফার্নান্ডো লরেন্ট
জার্মানি
কোচ: জোয়াকিম লো
রেকর্ড: একাদশ অংশগ্রহণ
সাফল্য: ৩ বার চ্যাম্পিয়ন (১৯৭২, ১৯৮০, ১৯৯৬)
ফিফা র‍্যাংকিং: ২
গোলরক্ষক: ১.ম্যানুয়েল নিউয়ের; ১২.টিম ওয়াইজ; ২২.রন রবার্ট জিয়েলার

ডিফেন্ডার: ৩.মার্চেল স্মেইজার; ৪.বেনেডিক্ট হোয়েডস; ৫.ম্যাটস হিউমেলস; ১৪.হোলগার বাডস্টুবার; ১৬.ফিলিপ ল্যাম (অধিনায়ক); ১৭.পার মার্টেস্কার; ২১.জেরোমি বোয়েটেং

মিডফিল্ডার: ২.ইল্কি জুনডোগান; ৬.সামি খেদিরা; ৭.বাস্তেন শোয়েনস্টাইগার; ৮.মেসুত ওজিল; ৯.আন্দ্রে স্কুরেল; ১০.লুকাস পোডলস্কি; ১৩.থমাস মুলার; ১৫. লার্স বেনডার; ১৮.টনি ক্রস; ১৯.মারিও গোটজে; ২১.মার্কো রিওস

ফরোয়ার্ড: ১১.মিরোসস্নাভ ক্লোসা; ২৩.মারিও গোমেজ
ফ্রান্স
কোচ: লরেন্ট বস্নাঁ
রেকর্ড: অষ্টম অংশগ্রহণ
সাফল্য: ২ বার চ্যাম্পিয়ন (১৯৮৪, ২০০০)
ফিফা র‍্যাংকিং: ১৬
গোলরক্ষক: ১.হুগো লিওরিস (অধিনায়ক); ১৬.স্টিভ মান্ডান্ডা; ২৩.কেডরিক কারাচ্চো

ডিফেন্ডার: ২.ম্যাথিউ ডেবুচি; ৩.প্যাট্রিক এভরা; ৪.আদিল র‍্যামি; ৫.ফিলিপ্পি ম্যাক্সেস; ১৩.অ্যান্থনি লিভেইলেরি; ২১.লরেন্ট কোসেলনি; ২২.জিল ক্লিচি

মিডফিল্ডার: ৬.ইয়োহান ক্যাবেই; ৭.ফ্র্যাঙ্ক রিবেরি; ১১.সামির নাসরি; ১২.বেস্নইস ম্যাটিউদি; ১৫.ফ্লোরেন্ত মালুদা; ১৭.ইয়ান এমভিলা; ১৮.অ্যালাউ দিয়ারা; ১৯.মারভিন মার্টিন

ফরোয়ার্ড: ৪.ম্যাথিউ ভালবুয়েনা; ৯.অলিভিয়ের জিরুড; ১০.করিম বেনজেমা; ১৪.জেরেমি মেনেজ; ২০.হাতেম বিন আরফা

 

ইতালি
কোচ: সিজার প্র্যানডেলি
রেকর্ড: অষ্টম অংশগ্রহণ
সাফল্য: একবার চ্যাম্পিয়ন (১৯৬৮)
ফিফা র‍্যাংকিং: ১২
গোলরক্ষক: ১.জিয়ানলুইজি বুফন (অধিনায়ক); ১২.সালভেতর সিরিগু; ১৪. মরগান ডি স্যান্টিস

ডিফেন্ডার: ২.ক্রিশ্চিয়ান ম্যাজিও; ৩.জর্জিও চেলিনি; ৪.অ্যাঞ্জেলো ওগবোনা; ৬.ফ্রেডেরিকো বালজারেত্তি; ৭.ইঙাজিও এবাতি; ১৫.আন্দ্রে বারগেত্তি; ১৯.লিওনার্দো বোনিউচি

মিডফিল্ডার: ৫.থিয়াগো মোট্টা; ৮.ক্লদিও মার্চিসিও; ১৩.এমানুয়েল জিয়াচ্চেরেনি; ১৬.ড্যানিয়েল ডি রসি; ১৮.রিকার্ডো মন্টোলিভো; ২১.আন্দ্রে পিরলো; ২২.আলেসান্দ্রো দিয়ামান্টি; ২৩.এন্টোনিও নচেরিনো

ফরোয়ার্ড: ৯.মারিও বালোতেলি্ল; ১০.অ্যান্টোনিও কাসানো; ১১.অ্যান্টোনিও ডি নাটালে; ১৭.ফ্যাবিও বোরিনি; ২০.সেবাস্তিয়ান জিওভিনকো
নেদারল্যান্ডস
কোচ: বর্ট ভ্যান মারউইক
রেকর্ড: নবম অংশগ্রহণ
সাফল্য: একবার চ্যাম্পিয়ন (১৯৮৮)
ফিফা র‍্যাংকিং: ৪
গোলরক্ষক: ১.মার্টিন স্টিকিলিনবার্গ; ১২.মিচেল ভর্ম; ২২.টিম ক্রুল

ডিফেন্ডার: ২.গ্রেগরি ভ্যান ডার উইয়েল; ৩.জন হেইটিঙ্গা; ৪.জোরিস ম্যাথিজসেন; ৫.উইলফ্রেড বোউমা; ১৩.রন ভস্নার; ১৪.স্টিজিন এসচারস; ১৫.জেট্রো উইলিয়ামস; ২১.খালিদ বোউলাহরোজ

মিডফিল্ডার: ৬.মার্ক ভ্যান বোমেল (অধিনায়ক); ৮.নাইজেল ডি লং; ১০.ওয়েসলি স্নেইডার; ১৭.কেভিন স্ট্রুটম্যান; ২৩.রাফায়েল ভ্যান ডার ভার্ট

ফরোয়ার্ড: ৭.ডির্ক কুইট; ৯.ক্লাস জ্যান হান্টেলার; ১১.অ্যারিয়েন রোবেন; ১৬.রবিন ফন পার্সি; ১৮.লুক ডি জং; ১৯.লুসিয়ানো নারসিং; ২০.ইবরাহিম অ্যাফেল্লাই

 

গ্রিস
কোচ: ফার্নান্ডো স্যান্টোস
রেকর্ড: চতুর্থ অংশগ্রহণ
সাফল্য: একবার চ্যাম্পিয়ন (২০০৪)
ফিফা র‍্যাংকিং: ১৪
গোলরক্ষক: ১.কোস্তাস চালকিয়াস; ১২.আলেকজান্দ্রোস টিজোরভাস; ১৩.মিচালিস সিফাকিয়াস

ডিফেন্ডার: ২.ইয়োনি্নস ম্যানিয়াটিস; ৩.জার্গোস জাভিলাস; ৪.স্টেলিওস মালিজাস; ৫.কাইরিয়াক্স পাপাডোপিলাস; ৮.আভ্রাম পাপাডোপিলাস; ১৫.ভ্যাসিলিস টোরোসিডিস; ১৯.সক্রেটিস পাপাস্টাথোপোলোস; ২০; হোসে হোলেবাস

মিডফিল্ডার: ৬.গ্রিগোরিস ম্যাকোস; ১০.জার্গোস কারাগৌনিস (অধিনায়ক); ১৬.জার্গোস ফোটাকিস; ১৮.সোটিরিস নিনিস; ২১.কোস্টাস কাটসেরানিস; ২২.কোস্টাস ফর্চুনিস; ২৩.জিয়ানি্নস ফেটফাটজিডিস

ফরোয়ার্ড: ৭.জার্গোস স্যামরাস; ৯.নিকোস লাইবারপোলস; ১১.কোস্টাক মিত্রোগলু; ১৪.দিমিত্রিস সালপিগিডিস; ১৭.থিওফ্যানিস জিকাস
ডেনমার্ক
কোচ: মর্টেন ওলসেন
রেকর্ড: নবম অংশগ্রহণ
সাফল্য: একবার চ্যাম্পিয়ন (১৯৯২)
ফিফা র‍্যাংকিং: ১০
গোলরক্ষক: ১.স্টিফেন অ্যান্ডারসন; ১৬.আন্দ্রেস লিন্ডিগার্ড; ২২.কাসপার স্মেইকেল

ডিফেন্ডার: ৩.সিমন কাইজির; ৪.ড্যানিয়েল আজির (অধিনায়ক); ৫.মিসন পলসেন; ৬.লার্স জ্যাকোবসেন; ১২.আন্দ্রেস জেল্যান্ড; ১৩.জোরেস ওকোরে; ১৮.ড্যানিয়েল ওয়াস

মিডফিল্ডার: ৭.ইউলিয়াম কেভিস্ট; ৮.ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন; ১৪.লেসি কোনি; ১৫.মাইকেল সিলবারবাউয়ের; ১৯.জ্যাকব পলসেন; ২০.থমাস কালিনবার্গ; ২১.নিকি জিমলিং

ফরোয়ার্ড: ৯.মাইকেল ক্রোন ডেহিল; ১০.ড্যানিস রমেডাহিল; ১১.নিকোলাস বেন্ডটেনার; ১৭.নিকোলাস পেডেরসেন; ২৩.টোবিয়াস মিকেলসেন
রাশিয়া
কোচ: ডিক অ্যাডভোকেট
রেকর্ড: দশম অংশগ্রহণ
সাফল্য: একবার চ্যাম্পিয়ন (১৯৬০, সোভিয়েত ইউনিয়ন হিসেবে)
ফিফা র‍্যাংকিং: ১১
গোলরক্ষক: ১.ইগোর আকিনফেভ; ১৩.অ্যান্টন সুনিন; ১৬.ভায়াচেলাভ মালাফিভ

ডিফেন্ডার: ২.আলেকজান্ডার এনিউকভ; ৩.রোমান শারোনভ; ৪.সার্জেই ইগনাশেইভিচ; ৫.ইউরি ঝিরকভ; ১২.অ্যালেক্সি বেরেজুটস্কি; ১৯.ভস্নাদিমির গ্র্যানাট; ২১.কিরিল নাবাবকিন

মিডফিল্ডার: ৬.রোমান শিরোকভ; ৭.ইগর ডেনিসভ; ৮.কনস্ট্যান্টিন জিরিয়ানভ; ৯.মারাত ইজমাইলভ; ১৫.দিমিত্রি কমবারভ; ১৭.অ্যালান জাগোইভ; ২২.ড্যানিস গ্লুসাকভ; ২৩.ইগর সেমসভ

ফরোয়ার্ড: ১০.আন্দ্রেই আরশাভিন (অধিনায়ক); ১১.আলেকজান্ডার কেরশাকভ; ১৪.রোমান পাভলিউচেঙ্কো; ১৮.আলেকজান্ডার কোকোরিন; ২০.পাভেল পোগ্রেবনিয়ে

ইংল্যান্ড
কোচ: রয় হজসন
রেকর্ড: অষ্টম অংশগ্রহণ
সাফল্য: তৃতীয় (১৯৬৮), সেমিফাইনাল (১৯৯৬)
ফিফা র‍্যাংকিং: ৭
গোলরক্ষক: ১.জো হার্ট; ১৩.রবার্ট গ্রিন; ২৩.জ্যাক বাটল্যান্ড

ডিফেন্ডার: ২.গ্লেন জনসন; ৩.অ্যাসলে কোল; ৫.গ্যারি কাহিল; ৬.জন টেরি; ১২.লাইটন বেইনেস; ১৪.ফিল জোন্স; ১৫.জুলিয়ান লেসকট; ১৮.ফিল জ্যাগিয়েলকা

মিডফিল্ডার: ৪.স্টিফেন জেরার্ড (অধিনায়ক); ৭.থিও ওয়ালকট; ৮.ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড; ১১.অ্যাসলে ইয়ং; ১৬.জেমস মিলনার; ১৭.স্কট পার্কার; ১৯.স্টুয়ার্ট ডোউনিং; ২০.অ্যালেক্স অক্সল্যাড চেম্বারলিন

ফরোয়ার্ড: ৯.অ্যান্ডি ক্যারোল; ১০.ওয়েইন রুনি; ২১.জার্মেইন ডেফো; ২২.ড্যানি ওয়েলব্যাক
পর্তূগাল 
কোচ: পউলো বেনেটো
রেকর্ড: ষষ্ঠ অংশগ্রহণ
সাফল্য: রানার্সআপ (২০০৪)
ফিফা র‍্যাংকিং: ৫
গোলরক্ষক: ১.এডওয়ার্ডো; ১২.রুই প্যাট্রিসিও; ২২.বিকো

ডিফেন্ডার: ২.ব্রুনো আলভিস; ৩.পেপে; ৫.ফ্যাবিও কোয়েনট্রাও; ১৩.রিকার্ডো কস্টা; ১৪.রোনাল্ডো; ১৯.মিগুয়েল লোপেজ; ২১.জোয়াও পেরেইরা

মিডফিল্ডার: ৪.মিগুয়েল ভেলেসো; ৬.কোস্টোডিও; ৮.জোয়াও মোটিনহো; ১৫.রুবেন মিকায়েল; ১৬.রাউল মেইরেলেস; ২০.হুগো ভিয়ানা

ফরোয়ার্ড: ৭.ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (অধিনায়ক); ৯.হুগো আলমেইডা; ১০.রিকার্ডো কিউরিজমা; ১১.নেলসন ওলিভিয়েরা; ১৭.ন্যানি. ১৮.সিলভেস্টার ভারিলা; ২৩.হেলডার পোস্টিগা
পোল্যান্ড
কোচ: ফ্র্যাঙ্কিজেস স্মুদা
রেকর্ড: দ্বিতীয় অংশগ্রহণ
সাফল্য: প্রথম রাউন্ড (২০০৮)
ফিফা র‍্যাংকিং: ৬৫
গোলরক্ষক: ১.ওজচেইচ এসজিস্নেনি; ১২. গ্রেগর্জ স্যান্ডেমিরস্কি; ২২. প্রিজমিসস্ন টিটন

ডিফেন্ডার: ২.সেবাস্তিয়ান বোয়েনিচ; ৩.গ্রেগর্জ ওজটকোইক; ৪.মার্চিন কামিনস্কি; ১৩.মার্চিন ওয়াসিলেইস্কি; ১৪.জ্যাকুব ওয়ারজিনায়েক; ১৫.ড্যামিয়েন পারকিউজ; ২০.লুকাস পিজচেক

মিডফিল্ডার: ৫.ডারিউজ ডুডকা; ৬.অ্যাডাম মাটুসজিউক; ৭.ইউজেন পোলানস্কি; ৮.ম্যাসিয়েজ রাইবাস; ১০. লুডোভিক ওব্রানিয়াক; ১১.রাফাল মুরাউইস্কি; ১৬.জ্যাকুব বস্নাজিকোইস্কি (অধিনায়ক); ১৮.আদ্রিয়ান মিয়েরজিজেইস্কি; ১৯.রাফাল ওলস্কি; ২১.কামিল গ্রোসিস্কি

ফরোয়ার্ড: ৯.রবার্ট লেয়ানডোস্কি; ১৭.আর্থার সোবিয়েচ; ২৩.পায়েল ব্রোজেক
ইউক্রেন
কোচ: ওলেহ বেস্নাখিন
রেকর্ড: এবারই প্রথম অংশগ্রহণ
সাফল্য: নেই
ফিফা র‍্যাংকিং: ৫০
গোলরক্ষক: ১.ম্যাকসিম কোভাল; ১২.আন্দ্রেই পিয়াটভ; ২৩.ওলেকসান্ড্রে হরিয়ানভ

ডিফেন্ডার: ২.ইয়েভেন সেলিন; ৩.ইয়েভেন খাচেরিডি; ৫.ওলেকসান্ড্রো কুচার; ১৩.ভিচেসস্নাভ শেভচুক; ১৭.টারাস মিখাইলিক; ২০.ইয়ারোসস্নাভ রাকিটস্কি; ২১.বোহাডান বুটকো

মিডফিল্ডার: ৪.আনাতোলি টাইমোচুক; ৬.ডেনিশ হারমাস; ৮.ওলেকসান্ড্রো আলিয়েভ; ৯.ওলেহ হাসিভ; ১৪.রাসলান রোটান; ১৮.শেরহি নাজারেঙ্কো; ১৯.ইয়েভেন কোনোপ্লিয়াঙ্কা

ফরোয়ার্ড: ৭.আন্দ্রেই শেভচেঙ্কো (অধিনায়ক); ১০.আন্দ্রেই ভরোনিন; আন্দ্রেই ইয়ারমোলেঙ্কো; ১৫.আর্টিম মিলেভেস্কি; ১৬.ইয়েভেন সেলেজিনভ; ২২.মার্কো ডেভিচ
চেক প্রজাতন্ত্র
কোচ: মিখাইল বিলেক
রেকর্ড: পঞ্চম অংশগ্রহণ
সাফল্য: রানার্সআপ-১৯৯৬; (১৯৭৬ সালে চেকোসেস্নাভাকিয়া হিসেবে চ্যাম্পিয়ন)
ফিফা র‍্যাংকিং: ২৬
গোলরক্ষক: ১.পিয়েতর চেক; ১৬.জ্যান লাসটুভকা; ২৩.জারোসস্নাভ ড্রোবনি

ডিফেন্ডার : ২.থিওডর জাবরি সেলাসিয়ে; ৩.মাইকেল কাডিলক; ৪.মারেক সুচি; ৫.রোমান হাবনিক; ৬.টমাস সিভোক; ৮.ডেভিড লিম্বারস্কাই; ১২.ফ্রান্টিসেক রাজটোরাল

মিডফিল্ডার: ৯.জ্যান রিজেক; ১০.থমাস রসিস্কি (অধিনায়ক); ১১.মিলান পেত্রেজিলা; ১৩.জারোসস্নাভ প্লাজিল; ১৪.ভাকলাভ পিলার; ১৭.টমাস হাবসম্যান; ১৮.ড্যানিয়েল কোলাফ; ১৯.পিয়েতর জিরাচেক; ২২.ভস্নাদিমির ডারিডা

ফরোয়ার্ড: ৭.টমাস নেসিড; ১৫.মিলান বারোস; ২০.টমাস পেকহার্ট; ২১.ডেভিড লাফাটা
আয়ারল্যান্ড
কোচ: জিওভানি্ন ত্রাপাত্তোনি
রেকর্ড: চতুর্থ অংশগ্রহণ
সাফল্য: কোয়ার্টার ফাইনাল (১৯৯০)
ফিফা র‍্যাংকিং: ১৮
গোলরক্ষক: ১.শাই গিভেন; ১৬.কেইরেন ওয়েস্টউড; ২৩.ডেভিড ফর্ডে

ডিফেন্ডার: ২.সিন সেন্ট লিডগার; ৩.স্টিফেন ওয়ার্ড; ৪.জন ও’শিয়া; ৫.রিচার্ড ডিউনি; ১২.স্টিফেন কেলি; ১৩.পল ম্যাকসেন; ১৮.ড্যারেন ও’ডিয়া

মিডফিল্ডার: ৬.গ্লেন হুইলান; ৭.আইডেন ম্যাকগেডি; ৮.কেইথ আন্দ্রেজ; ১১.ডেমিয়েন ডাফ; ১৫.ড্যারোন গিবসন; ১৭.স্টিফেন হান্ট; ২১.পল গ্রিন; ২২.জেমস ম্যাকক্লিন

ফরোয়ার্ড: ৯.কেভিন ডয়লে; ১০.রবি কিন (অধিনায়ক); ১৪.জোনাথন ওয়াল্টার্স; ১৯.শেন লং; ২০.সায়মন কক্স
ক্রোয়েশিয়া
কোচ: সস্নাভেন বিলিক
রেকর্ড: পঞ্চম অংশগ্রহণ
সাফল্য: কোয়ার্টার ফাইনাল (১৯৯৬, ২০০৮)
ফিফা র‍্যাংকিং: ৮
গোলরক্ষক: ১.স্টিপ প্লেটিকোসা; ১২.ইভান কেলাভা; ২৩.ড্যানিজেল সুবাস্টিক

ডিফেন্ডার: ২.ইভান স্ট্রিনিক; ৩.জোসিপ সিমুনিক; ৪.জুরিকা বুলজাট; ৫.ভেডরান করলুকা; ৬.ড্যানিজেল প্র্যানিজিক; ১৩.গর্ডন স্কিলডেনফিল্ড; ২১.ডোমাগোজ ভিডা

মিডফিল্ডার: ৭.ইভান রাকিটিক; ৮.ওগেনজেন ভুকোজেভিক; ১০.লুকা মডরিক; ১১.ডারিজো সরনা (অধিনায়ক); ১৪.মিলান বাডেলজ; ১৫.আইভো ইলিচেভিচ; ১৬.টমিসস্ন্যাভ ডুজমোভিচ; ১৯.নাইকো ক্রাঞ্জকার; ২০.ইভান পেরিসিক

ফরোয়ার্ড: ৯.নিকিসা জেলাভিক; ১৭.মারিও ম্যান্ডজুকিক; ১৮.ইভিকা ওলিচ; ২২.এডওয়ার্ডো
সুইডেন
কোচ: এরিক হামরিন
রেকর্ড: পঞ্চম অংশগ্রহণ
সাফল্য : সেমিফাইনাল (১৯৯২)
ফিফা র‍্যাংকিং: ১৭
গোলরক্ষক: ১.আন্দ্রিয়াস ইজ্যাকসন; ১২.জোহান উইল্যান্ড; ২৩.পার হ্যানসন

ডিফেন্ডার: ২.মিকাইল লুসটিগ; ৩.ওলোফ মেলবার্গ; ৪.আন্দ্রেস গ্র্যাঙ্কভিস্ট; ৫.মার্টিন ওলসন; ১৩.জোনস ওলসন; ১৫.মিকাইল অ্যানটনসন; ১৭.বেহরাঙ সাফারি

মিডফিল্ডার: ৬.রাসমুস এল্ম; ৭.সেবাস্তিয়ান লারসন; ৮.আন্দ্রেস সিভেনসন; ৯.কিম কার্লস্ট্রম; ১৬.পন্টুস ওয়ের্নবস্নুম; ১৮.স্যামুয়েল হোলম্যান; ১৯.এমির বাজরামি; ২১.ক্রিশ্চিয়ান উইলহেল্মসন

ফরোয়ার্ড: ১০.জালাতন ইব্রাহিমোভিচ (অধিনায়ক); ১১.জোহন এলমান্ডের; ১৪.টোবিয়াস হেইসেন; ২০.ওলা টোইভোনেন; ২২.মার্কুস রোজেনবার্গ


6 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ